ছবি- যাযাদি প্রতিষ্ঠার আট বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ ভবন নির্মিত হয়নি নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ে। দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা উন্নয়নকাজ কবে শুরু হবে, তা নিয়ে অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমন পরিস্থিতিতে স্থগিত কাজ দ্রুত শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (SHED) সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক। তিনি বলেছেন, এটি সরকারি দায়িত্ব ও সরকারি কাজ। বিষয়টি শিক্ষা সচিবের অবগতিতে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কাজগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোণার রাজুর বাজারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক বলেন, “এটি সরকারি দায়িত্ব ও সরকারি কাজ। শিক্ষা সচিব মহোদয় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন। এটি এলাকার উন্নয়নকাজেরও একটি অংশ।
ইনশাআল্লাহ, যতটুকু করা প্রয়োজন, তা করা হবে। স্থগিত থাকা কাজগুলো দ্রুত শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কাজগুলো এগিয়ে নেওয়া হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে। প্রথমে ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটির নাম পরে পরিবর্তন করে ‘নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়’ করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রত্যাশা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ ভবন নির্মাণ না হওয়ায় বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যালয়ে পৌঁছালে সিনিয়র সচিবকে ফুল দিয়ে বরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. খালেদ উজ্জামান ও নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী, সিনিয়র সচিবের সহধর্মিণী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ মো. আশরাফ উদ্দিন খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে সিনিয়র সচিব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন।
দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে উন্নয়নকাজ শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত অগ্রগতি ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে স্থগিত কাজ শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ, প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি, বরাদ্দ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে পরিদর্শন শেষে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এখন নজর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।