প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
নূর আলম পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে নির্মম ভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিজ সন্তানের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও গ্রামে।
শুক্রবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কাইয়ারগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় ঘাতক ছেলে নূর আলম (৪৫)কে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করেছে পুলিশ।
নিহত রেজিয়া খাতুন (৭০) ওই গ্রামের মৃত হাসান উদ্দিনের স্ত্রী। অভিযুক্ত নূর আলম নিহত রেজিয়া খাতুনের বড় ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটিতে নানা বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল। শুক্রবার ভোরে নিজ টিনের বসতঘরের মেঝেতে রেজিয়া খাতুনের সাথে নূর আলমের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে নূর আলম ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে তার মায়ের ঘাড়ে ও গলার পেছনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। অধিক রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই রেজিয়া খাতুনের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি মুঠোফোনে সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-কে অবহিত করা হয়। খবর পাওয়া মাত্রই ওসির নির্দেশে ডিউটিরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোহাব আলীর নেতৃত্বে একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ততক্ষণে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘাতক নূর আলমকে ধরে আটক করে রাখেন। পরে পুলিশ তাকে নিজ হেফাজতে নেয়।
সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ঘাতক ছেলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।