প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৭ পিএম আপডেট: ১৭.০৯.২০২৬ ৪:৫৮ পিএম
যাযাদি ছবি ভোক্তাদের ন্যায্য মূল্যে পোল্ট্রি পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ খাতের উৎপাদন খরচ কমানোর বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।তিনি বলেন, খামারিরা যাতে কম খরচে পোল্ট্রি উৎপাদন করতে পারেন, সেজন্য ফিডসহ অন্যান্য উৎপাদন উপকরণের ব্যয় কমানোর বিষয়ে সরকার কাজ করছে। উৎপাদন খরচ কমানো গেলে খামারি ও ভোক্তা উভয়েই উপকৃত হবেন।
বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুর মহানগরের রাজবাড়ী এলাকায় অবস্থিত পিটিআই ভবনে প্রাণিসম্পদ আইন-২০১০ মাঠ পর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মতবিনিময় সভায় গাজীপুরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে পোল্ট্রি শিল্প ও এগ্রো ফার্মের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় তারা পোল্ট্রি শিল্পের বর্তমান সংকট ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেন।
খামারি ও উদ্যোক্তারা জানান, ফিডের উচ্চমূল্য, একদিন বয়সী বাচ্চার দাম এবং অন্যান্য উৎপাদন উপকরণের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পোল্ট্রি খাতে উৎপাদন খরচ দিন দিন বাড়ছে। এতে খামারিরা নানা ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে বাজারমূল্যেও। এ সময় পোল্ট্রি শিল্পের উৎপাদন খরচ কমাতে ফিডের দাম কমানো, বাচ্চার দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং অন্যান্য উৎপাদন উপকরণের মূল্য কমানোর দাবি জানান খামারি ও শিল্প উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি পোল্ট্রি খাতকে টেকসই ও লাভজনক করতে সরকারের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মূল্যে পোল্ট্রি পণ্য নিশ্চিত করতে হলে উৎপাদন পর্যায়ে ব্যয় কমাতে হবে। এ জন্য ফিডসহ পোল্ট্রি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকরণের ব্যয় কমানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ আইন-২০১০ মাঠ পর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ খাতের শৃঙ্খলা ও মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে খামারি ও উদ্যোক্তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া, পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনসহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পোল্ট্রি শিল্পের প্রতিনিধি ও খামারিরাও উপস্থিত ছিলেন।