প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৩ পিএম
মো. সুমন হাওলাদার ও মো. ফজলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীতবাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন–২০২৬ গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি), ঢাকা-তে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত ৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধান ও দক্ষ পরিচালনায় এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
সারাদেশের অধস্তন সকল জেলা আদালতের মোট ৬০৯ জন ভোটারের মধ্যে ৫১৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সে হিসাবে নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ৮৪.৭৩ শতাংশ। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
সভাপতি পদে মোঃ সুমন হাওলাদার ৩১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রেজোয়ান খোন্দকার পেয়েছেন ২০৪ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ ফজলুর রহমান ৩১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারিক আহমেদ রিঙ্কু পেয়েছেন ১৯৩ ভোট এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ শাহীন আলম নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ শাহীন আলম ১৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে মোঃ কামাল হোসেন ১৩৩ ভোট, মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা (মাসুম) ৭২ ভোট, মোঃ হাফিজুল ইসলাম ৪৭ ভোট, মোঃ আবু ছায়েদ ২০ ভোট এবং আহসানুল কবির (স্বজন) ১৯ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সুমন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহীন আলমকে সংগঠনের সর্বস্তরের সদস্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ এসোসিয়েশনের সদস্যদের কল্যাণ, অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে এসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সারাদেশের বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের ঐক্য, সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন।
ভোটাররা এবং সাধারণ কর্মচারীরা বিপুল উৎসাহের সাথে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবিগুলো—যেমন বেতন স্কেল যৌক্তিকীকরণ, বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা এবং পদোন্নতির জটিলতা নিরসন—বাস্তবায়নে নতুন এই কমিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যথাযথ ভূমিকা রাখবে বলে ভোটাররা প্রবল প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। সকলে আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন কমিটির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সুযোগ্য নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাগুলো অবশেষে আলোর মুখ দেখবে এবং তাদের পেশাগত ও সামাজিক মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।