প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। বাংলাদেশের কক্সবাজার ও নেপালের পোখারাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এ লক্ষ্যে কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা এবং ঢাকা-পোখারা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পর্যটন বিনিময় বৃদ্ধি, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং যৌথ উদ্যোগে পর্যটন শিল্পের বিকাশের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, আগামী মাসে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করা হবে। এর ফলে নেপালি পর্যটকদের সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এতে দুই দেশের পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নেপালের লিগ্যাসি ক্যারিয়ার হিমালয়ান এয়ারলাইন্স কক্সবাজারে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এমন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নেপাল থেকে কক্সবাজারে পর্যটক যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের পর্যটন খাতের মধ্যে যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হতে পারে।
অন্যদিকে, ঢাকা-পোখারা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালুর বিষয়েও নেপালের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। এই রুটে সরাসরি বিমান যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য নেপালের অন্যতম পরিচিত পর্যটন গন্তব্য পোখারা ভ্রমণ আরও সহজ হতে পারে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই দেশের মধ্যে পর্যটক চলাচল বৃদ্ধি এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়েও উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।