প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষের দেশ। তাই সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
মঙ্গলবার শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে রংপুরে দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাওয়ার পথে পাগলাপীর এলাকায় এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান মন্ত্রী বলেন, “১৯৭১ সালে যেভাবে সব ধর্মের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, সেভাবেই আমরা সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই।”
তিনি বলেন, “আজ থেকে আমরা অঙ্গীকার করি, এই দেশ আমাদের সবার—মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবার। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করে দেশকে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।”
তারেক রহমান বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের মানুষ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এর অংশ হিসেবে সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, সরকার ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করেছে।
সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সহায়তা করার চেষ্টা করছে সরকার, বলেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ টেনে প্রধান মন্ত্রী বলেন, তিনি চান সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করুক।
এর আগে ঢাকা থেকে বিমানবাহিনীর একটি বিমানে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।
তাঁকে স্বাগত জানাতে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে বিএনপির শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থক অবস্থান নেন।
প্রধান মন্ত্রী তাঁর গাড়িবহর থেকে তাঁদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং দুই স্থানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।