প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩১ পিএম

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুড়িয়ারমোড় এলাকায় মেমো ছাড়া সার বিক্রির অভিযোগে ডিলার আলমগীর হোসেনের ১০ বস্তা সার আটক করে স্থানীয় জনগণ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকালে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে সরকারি নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করে সারগুলো নিয়ে নেন সাধারণ জনগণ।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সার বিক্রির নিয়মনীতি ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুড়িয়ারমোড় এলাকায় অটোতে করে আমজাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি ১০ বস্তা সার নিয়ে যাচ্ছেন। এক জনে এতো গুলো সার নিয়ে যেতে দেখে তাকে থামানো হয়। কথা বলে জানা যায় তার নাম আমজাদ হোসেন বাড়ী রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ডের বকসা এলাকায়। সার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু তার কাছে কোন মেমো নাই। তাই স্থানীয় লোকজন সারের বস্তা গুলো আটক করেন। আটক হওয়ার পর জানা যায়, গঙ্গাচড়া জিরো পয়েন্টের সার ডিলার আলমগীর হোসেনের ছেলে ইসমাঈলের কাছ থেকে সার কিনেছেন তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সার কেনাবেচার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্য ও বিক্রির হিসাবের স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। ক্রেতাকে যথাযথ মেমো দেওয়া হলে সার কেনার পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে প্রমাণ থাকে। এ ঘটনায় কী কারণে মেমো দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এ বিষয়ে সার ক্রেতা আমজাদ হোসেন বলেন, আমার জমিতে আলু চাষের জন্য আমি ইসমাঈলের কাছ থেকে ৫ বস্তা টিএসপি প্রতিটি ১৬'শ টাকা দরে ও ৫ বস্তা এমওপি প্রতিটি ১১'শ টাকা দরে কিনি। মেমো চাইলে মেমো লাগবে না বলে ইসমাঈল অটো সার তুলে দেয়।
ডিলার আলমগীর হোসেনের ছেলে ইসমাঈলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এগুলো আমার সার নয়। আমি তাকে চিনি না। আমার কাছ থেকে তিনি কোন সার নেননি। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার রুবেল হুসেনের সাথে কথা হলে তিনি ঢাকায় আছেন বলে জানান এবং অতিরিক্ত কৃষি অফিসারের সাথে কথা বলতে বলেন। কিন্তু অতিরিক্ত কৃষি অফিসারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।