সংগৃহীত ছবি সৌদি আরবের রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও হামলায় একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। এতে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সৌদি জোট বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৪ লক্ষ্য করে একটি অজ্ঞাত বস্তু নিক্ষেপ করা হয়। এতে সেখানে আগুন ধরে যায়। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন।
বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। পরে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে একটি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া খামিস মুশাইত শহর লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি জোট বাহিনী।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোরে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় আভা শহরে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়। তবে পরে বিপদের আশঙ্কা কেটে গেছে বলে জানায় সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ।
রোববার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করেন হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। তিনি দাবি করেন, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দাম্মাম বিমানবন্দর এবং দেশটির বৃহৎ তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর দুটি স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে তাদের গোষ্ঠী।
রোববার রাতে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও নিরাপত্তা পরিদর্শনের কাজ চলছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাম্মাম বিমানবন্দরে উড্ডয়নের প্রস্তুতি নেওয়া একটি উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তিনি রানওয়েতে একটি বস্তুকে আঘাত হানতে দেখেন। বস্তুটি পার্ক করে রাখা কয়েকটি উড়োজাহাজের পাশে আঘাত হানার পর আগুন ধরে যায়। পরে উড়োজাহাজটি নির্ধারিত গেটে ফিরে আসে। যাত্রীদের নামিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে বলা হয়।
ফ্লাইট চলাচলের তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, রোববার দাম্মাম বিমানবন্দরে একাধিক ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়নে বিলম্ব হয়। বাতিল করা হয় বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও। সৌদি আরবের তৃতীয় বৃহত্তম এই বিমানবন্দরে হামলার পর বিমান চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।সৌদি আরব বিমানবন্দরে ফের হামলা
সৌদি আরবের রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও হামলায় একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। এতে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সৌদি জোট বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৪ লক্ষ্য করে একটি অজ্ঞাত বস্তু নিক্ষেপ করা হয়। এতে সেখানে আগুন ধরে যায়। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একজন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন।
বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। পরে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে একটি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া খামিস মুশাইত শহর লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি জোট বাহিনী।
আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোরে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় আভা শহরে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করা হয়। তবে পরে বিপদের আশঙ্কা কেটে গেছে বলে জানায় সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ।
রোববার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করেন হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। তিনি দাবি করেন, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দাম্মাম বিমানবন্দর এবং দেশটির বৃহৎ তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর দুটি স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে তাদের গোষ্ঠী।
রোববার রাতে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও নিরাপত্তা পরিদর্শনের কাজ চলছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাম্মাম বিমানবন্দরে উড্ডয়নের প্রস্তুতি নেওয়া একটি উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তিনি রানওয়েতে একটি বস্তুকে আঘাত হানতে দেখেন। বস্তুটি পার্ক করে রাখা কয়েকটি উড়োজাহাজের পাশে আঘাত হানার পর আগুন ধরে যায়। পরে উড়োজাহাজটি নির্ধারিত গেটে ফিরে আসে। যাত্রীদের নামিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করতে বলা হয়।
ফ্লাইট চলাচলের তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, রোববার দাম্মাম বিমানবন্দরে একাধিক ফ্লাইটের অবতরণ ও উড্ডয়নে বিলম্ব হয়। বাতিল করা হয় বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও। সৌদি আরবের তৃতীয় বৃহত্তম এই বিমানবন্দরে হামলার পর বিমান চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সৌদি সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, রোববার কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, যার ফলে যাত্রীদের একটি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলায় পাকিস্তানি এক বাসিন্দা নিহত হয়েছেন।
এর আগে শনিবার একই বিমানবন্দরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন নিহত এবং ৩০৮ জন আহত হন। নিহতদের মধ্যে দুই জন বাংলাদেশি, চার জন সৌদি নাগরিকসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, মিসর ও ভারতের নাগরিক ছিলেন।
হুথি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এই জোড়া হামলার দায় স্বীকার করে সতর্ক করেছেন যে, মক্কা ও মদিনা ব্যতীত সৌদি আরবের সব বিমানবন্দর ও আকাশসীমা তাদের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। তারা দাম্মাম বিমানবন্দর ও বিভিন্ন তেল স্থাপনাতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইয়েমেনের সানা বিমানবন্দরে সম্প্রতি সৌদি জোটের বিমান হামলার জবাবেই তারা এই ক্রমবর্ধমান অপারেশন শুরু করেছে বলে জানান তিনি।
সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এই হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বর্ণনা করে কড়া জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হুথিদের ওপর হামলা চালানো হবে কি না সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে এবং পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে হুথি ও সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর মধ্যে হওয়া একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি জুলাই মাসে ভেঙে যাওয়ার পর সহিংসতা চরম আকার ধারণ করে। হুথিরা বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এলাকা এবং দেশের ৮০% জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে। সৌদি আরব আশঙ্কা করছে, এর ফলে তাদের দক্ষিণ সীমান্তে একটি ইরানি স্যাটেলাইট বা পুতুল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের (হুথি প্রশাসন) মধ্যে সংলাপ সহজতর করতে তার দেশ সহায়তা দিতে প্রস্তুত।