প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৯ পিএম
ছবি: যাযাদিঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামি এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ও বুধবার (১৪ অক্টোবর) এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৩ অক্টোবর এসআই দীপংকর মণ্ডল সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে জিআর নং-১৮৮/১৭, ৮২৯/২২ ও মামলা নং-২১(৩)১৬-এর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. ফয়সাল হোসেনকে (২৮) গ্রেপ্তার করেন। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার কাষ্টভাঙ্গা গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে।
একই দিন এএসআই নাজমুল হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে জিআর নং-২৩৫/২০-এর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেন। তিনি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মো. মুসা মিয়ার ছেলে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ১৪ অক্টোবর কালীগঞ্জ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক তিনজনের ডোপ টেস্টের ফল পজিটিভ আসে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. ফয়সাল হোসেনকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী ওরফে মুন্নাকে (২৭) আট মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মো. আরিফুল হোসেনকে (২৩) এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তদন্তে পাওয়া আসামি মো. মাহবুবুল হক শামীমকে (৪৬) ১৪ অক্টোবর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ছোট শিমলা গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি শিমলা-রোকনপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, কালীগঞ্জ থানার মামলা নং-৪১, জিআর নং-১২৯/২৬-এর তদন্তের সূত্রে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।