প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৫ পিএম আপডেট: ১৭.১০.২০২৬ ১:৪৬ পিএম
পিয়াল মাহমুদ ওরফে পিয়াল সাদ্দাম চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে পিয়াল মাহমুদ ওরফে পিয়াল সাদ্দাম (৩৪) নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ । তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ২৭টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে ২০৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর মালিকানাধীন একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে চাপাতি, কুড়াল, ছুরি, বড় ছোরাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার পিয়াল সাদ্দাম জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আলমডাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি উপজেলার মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় জনৈক কুদ্দুসের বাড়ির পেছনে শমসের মল্লিকের ডোবা পুকুরের উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে পিয়াল সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর হেফাজত থেকে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে আলমডাঙ্গা থানাধীন গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামে তাঁর নিজস্ব গোডাউনে বিধি মোতাবেক তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গোডাউনের একটি টেবিলের নিচ থেকে ১৪ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার চাপাতি, কাঠের বাটযুক্ত একটি দেশীয় লোহার কুড়াল, ১০ দশমিক ৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের দুটি লোহার ছুরি, কাঠের বাটযুক্ত ২৪ ইঞ্চি লম্বা একটি বড় লোহার ছোরা, স্টিলের বাটযুক্ত ৩৩ ইঞ্চি লম্বা একটি বড় ছোরা এবং ৪৪ দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি মামলা বিচারাধীন। অপর একটি মামলায় চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে। জিআর-৪৪/২০ (আলমডাঙ্গা) নম্বরের ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তারের সময় ২০৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গোডাউনে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।