১,৪৯৮ পর্যটন স্পট নিয়ে মহাপরিকল্পনা, জিডিপিতে ৮-৯% অবদান চায় সরকার

জাহিদ হাসান

অর্থনীতি

বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন

2026-09-17T17:15:59+06:00
2026-09-17T17:16:15+06:00
শুক্রবার ● ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
অর্থনীতি
কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র করার উদ্যোগ, PPP-তে বিনিয়োগে গুরুত্ব
১,৪৯৮ পর্যটন স্পট নিয়ে মহাপরিকল্পনা, জিডিপিতে ৮-৯% অবদান চায় সরকার
জাহিদ হাসান
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম  আপডেট: ১৭.০৯.২০২৬ ৫:১৬ পিএম 
এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।
বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ ও গন্তব্যকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে Tourism Master Plan। একই সঙ্গে কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পর্যটন খাতের অবদান দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা কয়েকটি পরিচিত গন্তব্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও মানুষের গল্প। এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় এনে টেকসই ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনশিল্পে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, Tourism Master Plan-এর আওতায় বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ ও গন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্পদকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় এনে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করা হবে।

কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকতকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো, সেবা, বিনোদন ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন পর্যটন নীতিমালায় বেসরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা PPP-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

পর্যটন খাতের অবদান জিডিপিতে ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে সুপরিকল্পিত বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক অবকাঠামো, উন্নত সেবা, কার্যকর বিপণন ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন খাতে শৃঙ্খলার ঘাটতির বাস্তবতার মধ্যেই বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার। মেলায় ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অংশ নিয়েছে। প্রায় ৩০০টি স্টলে বিভিন্ন দেশের পর্যটন গন্তব্য, পর্যটনপণ্য, সেবা ও বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হচ্ছে।

উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল এবং নেপাল, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন।
অর্থনীতি- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত