২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ: লক্ষ্য অর্জনে চাই বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা

ইঞ্জিনিয়ার মো: আমিনুল ইসলাম

মতামত

বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা, আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয়

2026-10-18T18:24:18+06:00
2026-10-18T18:24:18+06:00
রোববার ● ১৮ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
মতামত
২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ: লক্ষ্য অর্জনে চাই বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা
ইঞ্জিনিয়ার মো: আমিনুল ইসলাম
প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম  
প্রতীকী ছবি
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা, আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। এই প্রেক্ষাপটে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তবে লক্ষ্য নির্ধারণই যথেষ্ট নয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই সক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনের অগ্রগতি মূল্যায়ন করে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও গ্রহণ করা জরুরি।

লক্ষ্য ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান

বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ এবং অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সম্ভাবনা ও বাস্তবায়িত সক্ষমতার মধ্যে ব্যবধান এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

লক্ষ্য অর্জনের অগ্রগতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রথমেই নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নির্ধারণ করতে হবে। বর্তমানে কত মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাস্তবে চালু রয়েছে, কতটি প্রকল্প নির্মাণাধীন, কতটি চুক্তিবদ্ধ এবং কতটি কেবল প্রস্তাব বা পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে—এসব তথ্য আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘোষিত বা অনুমোদিত প্রকল্পের সক্ষমতাকে চালু উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে এক করে দেখলে প্রকৃত অগ্রগতি সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

তাই সরকারের উচিত বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), বিদ্যুৎ বিভাগ, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর তথ্য সমন্বয় করে একটি হালনাগাদ জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ড্যাশবোর্ড তৈরি করা। এতে প্রকল্পের অবস্থান, সক্ষমতা, অর্থায়ন, নির্মাণ অগ্রগতি, সম্ভাব্য বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর তারিখ এবং বাস্তবায়নের বাধাগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা উচিত।

সৌরবিদ্যুৎ হতে পারে প্রধান চালিকাশক্তি

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সৌর বিকিরণের সম্ভাবনা বিবেচনায় সৌরবিদ্যুৎ ১০,০০০ মেগাওয়াটের লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রধান উৎস হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে শুধু বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন ধরনের প্রকল্পকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

প্রথমত, পর্যাপ্ত জমি ও গ্রিড সংযোগ সুবিধা রয়েছে—এমন এলাকায় বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, শিল্পকারখানা, বাণিজ্যিক ভবন, সরকারি স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কার্যকর কর্মসূচি নিতে হবে। তৃতীয়ত, কৃষিজমির উৎপাদন অব্যাহত রেখে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি করতে অ্যাগ্রিভোল্টাইকস বা কৃষি-সৌর প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থাকে আরও সহজ, দ্রুত ও বিনিয়োগবান্ধব করা প্রয়োজন। অনুমোদনপ্রক্রিয়া, মিটার স্থাপন, গ্রিড সংযোগ এবং বিদ্যুৎ বিল সমন্বয়ে অযথা বিলম্ব থাকলে শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের আগ্রহ কমে যাবে। এ ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি এবং অনলাইনভিত্তিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

জমি ও প্রকল্প বাস্তবায়নের বাধা দূর করতে হবে

বাংলাদেশে বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে জমির প্রাপ্যতা, জমির মূল্য, মালিকানা যাচাই, জমি অধিগ্রহণ এবং পরিবেশগত প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে কৃষিজমি ও খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প সম্প্রসারণ করলে দীর্ঘমেয়াদে নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তাই অনাবাদি বা অপেক্ষাকৃত কম উৎপাদনশীল জমি, উপযুক্ত সরকারি জমি, শিল্পাঞ্চলের অব্যবহৃত স্থান, জলাশয়ের উপযোগী অংশে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ এবং কৃষির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অ্যাগ্রিভোল্টাইকস প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই করা উচিত। তবে প্রতিটি প্রকল্পের ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব, জীববৈচিত্র্য, পানি ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থ বিবেচনা করা জরুরি।

একই সঙ্গে প্রকল্প উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়েই জমি, গ্রিড সংযোগ, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অন্যান্য অনুমোদনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা উচিত। এতে প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরের পর দীর্ঘদিন বাস্তবায়ন আটকে থাকার ঝুঁকি কমবে।

গ্রিড সক্ষমতা ও ব্যাটারি সংরক্ষণে বিনিয়োগ জরুরি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থাকে সেই সক্ষমতা গ্রহণের উপযোগী করে তুলতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ দিনের নির্দিষ্ট সময়ে বেশি উৎপাদিত হয়, আবার আবহাওয়ার পরিবর্তনে উৎপাদন ওঠানামা করতে পারে। ফলে নতুন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের আগে গ্রিডের সংযোগ সক্ষমতা, সাবস্টেশনের ধারণক্ষমতা, সঞ্চালন লাইনের অবস্থা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের চাহিদা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

এখানে ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ব্যাটারিতে অতিরিক্ত উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময় সরবরাহ করা সম্ভব। তবে সব প্রকল্পে একই ধরনের বা একই মেয়াদের ব্যাটারি স্থাপন অর্থনৈতিকভাবে যুক্তিযুক্ত হবে না। বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদনের সময়ভিত্তিক প্রোফাইল, গ্রিডের সীমাবদ্ধতা, ব্যাটারির মূল্য এবং সিস্টেমের কার্যকর আয়ুষ্কাল বিবেচনায় প্রকল্পভিত্তিক মূল্যায়ন করা উচিত।

একই সঙ্গে উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা, গ্রিড আধুনিকায়ন, নমনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন, চাহিদা ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের সুযোগ বিবেচনা করতে হবে। নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও যদি গ্রিড সেই বিদ্যুৎ গ্রহণ ও সরবরাহ করতে না পারে, তবে বিনিয়োগের প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যাবে না।

বিনিয়োগ ও অর্থায়নের জন্য স্থিতিশীল নীতি দরকার

১০,০০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা অর্জনে সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ, ব্যাংকঋণ, উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি ও পূর্বানুমানযোগ্য নীতিকাঠামো অপরিহার্য।

প্রকল্পের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি, মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি, গ্রিড সংযোগের দায়িত্ব, অর্থ পরিশোধের নিশ্চয়তা, বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি এবং বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা স্পষ্ট হতে হবে। দরপত্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকল্পের প্রকৃত ব্যয়, প্রযুক্তিগত মান এবং দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বিবেচনা করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে শুধু সর্বনিম্ন দরকে সাফল্যের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা না করে প্রকল্পের নির্ভরযোগ্যতা, অর্থায়নের সক্ষমতা, নির্মাণের সময়সীমা, যন্ত্রপাতির গুণগত মান এবং পরিচালন ব্যয় মূল্যায়ন করা জরুরি। দুর্বল অর্থায়ন বা অপর্যাপ্ত প্রকল্প প্রস্তুতির কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলে জাতীয় লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হতে পারে।

২০৩০ থেকে ২০৩৫: লক্ষ্য অর্জনের পরবর্তী দিগন্ত

২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জনকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাবদ্ধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত কীভাবে এই সক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে, তার একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ এখন থেকেই প্রস্তুত করা উচিত।

এই রোডম্যাপে প্রতি বছরের জন্য প্রকল্পভিত্তিক সক্ষমতা সংযোজন, অর্থায়ন, গ্রিড প্রস্তুতি, প্রযুক্তির ধরন এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে। পরিকল্পনায় ঘোষিত সক্ষমতা, নির্মাণাধীন সক্ষমতা ও বাস্তবে চালু সক্ষমতার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখতে হবে।

লক্ষ্য অর্জনের অগ্রগতি মূল্যায়নে কয়েকটি সূচক নিয়মিত প্রকাশ করা যেতে পারে: বছরে কত মেগাওয়াট নতুন সক্ষমতা চালু হয়েছে, কত প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়েছে, মোট বিনিয়োগ কত হয়েছে, গ্রিডে কত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ করা গেছে এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের কত অংশ ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে। এতে শুধু স্থাপিত সক্ষমতা নয়, বাস্তব জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অবদানও পরিমাপ করা যাবে।

সমন্বিত উদ্যোগই সাফল্যের চাবিকাঠি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য অর্জন কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ বিভাগ, স্রেডা, বিপিডিবি, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি, বিতরণ সংস্থা, বিনিয়োগকারী, ব্যাংক, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, প্রকৌশল ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

একটি কার্যকর জাতীয় বাস্তবায়ন কাঠামোর আওতায় প্রতিটি প্রকল্পের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, সময়সীমা, অর্থায়ন পরিকল্পনা এবং ঝুঁকি মোকাবিলার ব্যবস্থা নির্ধারণ করা উচিত। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে তার কারণ চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। তবে এই লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে ঘোষণার চেয়ে বাস্তবায়নের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। জমি, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, গ্রিড, নীতির ধারাবাহিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়—সব ক্ষেত্রেই সমান্তরাল অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে।

সঠিক পরিকল্পনা, নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং জবাবদিহিমূলক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতকে আরও টেকসই, বহুমুখী ও আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি থেকে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করবে। এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো—২০৩০ সালের লক্ষ্যকে কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব প্রকল্প, বিনিয়োগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে রূপান্তর করা এবং একই সঙ্গে ২০৩৫ সালের জন্য আরও উচ্চাভিলাষী, কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি করা।

তথ্যসূত্র ও নীতিগত দলিল

১. টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা): "সরকারি ওয়েবসাইট" (https://sreda.gov.bd/)

২. স্রেডা: "Sustainable Energy Idea Contest 2026" (https://seideacontest2026.sreda.gov.bd/)

৩. বিদ্যুৎ বিভাগ: "নীতিমালা ও সরকারি দলিল" (https://powerdivision.gov.bd/)

৪. Asian Development Bank: "Bangladesh Renewable Energy and Grid-Related Project Documents" (https://www.adb.org/projects/documents/ban-57232-001-rrp)

৫. World Bank: "Powering Bangladesh’s Future with Renewable Energy" (https://www.worldbank.org/en/news/feature/2026/07/22/powering-bangladesh-s-future-with-renewable-energy)


লেখক : ইঞ্জিনিয়ার মো: আমিনুল ইসলাম।  নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষজ্ঞ
মতামত- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত