প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
ছবি-যাযাদিবরিশালের গৌরনদীতে হামলার ঘটনায় মামলা করায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ৮০ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জালাল আহমেদ ও তাঁর পুত্রবধূ সীমা বেগমকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজনকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কান্ডপাশা গ্রামের মৃত তোফায়েল আহমেদ হাওলাদারের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জালাল আহমেদের কাছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা দাবি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ। চাঁদা না দেওয়ায় গত ২২ জুলাই নলচিড়া বাজারে তাঁকে মারধর করা হয় বলে দাবি করেন জালাল আহমেদ।
জালাল আহমেদের অভিযোগ, ওই ঘটনায় তিনি কান্ডপাশা গ্রামের মৃত মালেক হাওলাদারের ছেলে আল মামুন স্বপনকে প্রধান আসামি করে আদালতে মামলা করেন। মামলা করার পর স্বপন তাঁকে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জালাল আহমেদ বলেন, শনিবার আল মামুন স্বপনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন লোক তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান। তাঁরা ঘরে ঢুকে ভাঙচুর করেন এবং তাঁকে ও তাঁর পুত্রবধূ সীমা বেগমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। পরে হামলাকারীরা সীমা বেগমের গলার চেইন, কানের দুলসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. অলিউল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে আল মামুন স্বপনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. অলিউল ইসলাম আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।