পরশুরামে মাদক সম্রাট প্রীতম পাল ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পন, জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

পরশুরাম ফেনী প্রতিনিধি

সারাদেশ

পরশুরামে এম্বুলেন্সে মাদক চোরাচালানের গডফাদার মামলার প্রথম আসামি প্রীতমপাল ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন

2026-10-10T12:23:04+06:00
2026-10-10T12:23:04+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
পরশুরামে মাদক সম্রাট প্রীতম পাল ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পন, জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
পরশুরাম ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পিএম  
প্রীতমপাল
পরশুরামে এম্বুলেন্সে মাদক চোরাচালানের গডফাদার মামলার  প্রথম আসামি প্রীতমপাল  ৯ অক্টোবর  বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরশুরামে এম্বুলেন্সে মাদক কান্ডে  গ্রেপ্তারকৃত দুজন কে  ১ দিনে রিমান্ডে দেওয়া তথ্য মতে অভিযান চালিয়ে সেই মাদক সম্রাট প্রীতম পালের ভগ্নিপতি সজল কান্তি দাস কে ঢাকা থেকে আটক করে  র‍্যাব।গত ২০ জুন ভোর ৬ টায়  ১১৭ বোতল ভারতীয় মদ সহ এম্বুলেন্সের চালক ও তার সহযোগী দু'জন কে  আটক  করে পুলিশ। গত ১ জুলাই বুধবার  দুপুর ১২ টায় রিমান্ডে আনার    পর  সরেজমিনে দক্ষিণ কোলাপাড়া  প্রীতমের বাড়িতে  গিয়ে তথ্য দিলেন আটককৃত আসামি  এম্বুলেন্সের চালক জসিম উদ্দিন ও তার সহযোগী মিনহাজুর রহমান (অমি)।এম্বুলেন্স চালক জসিম উদ্দিন জানান প্রীতম তার ব্যাক্তিগত নাম্বার  থেকে কল দিয়ে বলেন কিছু  কাঁচের বোতল ঢাকার শাহজাহানপুর  গোপীবাগ নেওয়ার জন্য। প্রীতম তার মোবাইল দিয়ে আমাকে গোপীবাগ সজল চন্দ্রের সাথে কথা বলে দেন ।ঢাকার (শাহজাহানপুর)  গোপীবাগ গিয়ে এই নাম্বারের ডায়াল করার জন্য বলেন প্রীতম।রিমান্ডে চালক জসিম উদ্দিন আরও জানান, এর আগে প্রীতমের কাচের বোতল আরও কয়েকবার নেওয়া হয়েছে। এটা যে ভারতীয় মদ আমি জানতাম না। পুলিশের আটকের পর জানতে পারলাম যে এগুলো সব ভারতীয় মদ 

সেই তথ্য  আলোকে চলক জসিম উদ্দিনের মোবাইলে ডায়াল করা মোবাইল নাম্বার টি ট্যাকিং দিয়ে  পরশুরামে আলোচিত অ্যাম্বুলেন্সে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রীতম পালের খালাত বোনের জামাই (ভগ্নিপতি) সজল চন্দ্র  দাস (৩৯)কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) - ৩।  গত ২১ জুলাই রাতে রাজধানী ঢাকা শাহজাহানপুর এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।সজল চন্দ্র দাস ভোলা জেলা বোরহান উদ্দিন থানার মিয়ার হাট গ্রামের লক্ষণ চন্দ্র দাসের ছেলে। 
‎
‎জরুরি রোগী বহনের স্টিকারযুক্ত একটি অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদক জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোগী পরিবহনের দোহাই দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই সিন্ডিকেটটি এলাকা ও এর আশেপাশে মাদক সরবরাহ করে আসছিল। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে প্রধান অভিযুক্ত প্রীতম পাল এবং তার সহযোগী হিসেবে তার ভগ্নিপতি সজল কান্তি দাসের নাম উঠে আসে।সজল চন্দ্র দাস মাদক সম্রাট প্রীতম পালের খালতো বোন ঈশিতা'র  স্বামী।সজল চন্দ্র দাস জানান, মাদক সম্রাট প্রীতম তার জন্য ৩ বোতল ভারতীয় মদ পাঠাবেন বলে ফোনে জানান। কিন্তু বাকী ১১৪ বোতল ভারতীয় মদ তার নিকট থেকে একজন লোক নিয়ে যাবেন ব'লে প্রীতম পাল তাকে জানান।সেই লোক কে আসবে আমাকে নাম বলেন নি।
‎
‎ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সজল কান্তি দাস ও প্রীতমপাল আত্মগোপনে ছিলেন। র‍্যাবের একটি বিশেষ দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।তাকে পরশুরাম থানায় হস্তান্তর এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে  হস্তান্তর করা হয় ।

পরশুারম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আশ্রাফুল ইসলাম জানান   আ্যম্বুলেন্সে মাদক পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রীতম পালের ভগ্নিপতি মামলার আসামি সজল চন্দ্র দাসকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর পরশুরাম থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হয়। 

এম্বুলেন্সে মাদক চোরাচালানের ঘটনার মামলায়  বহু দিন আত্মগোপন থাকার পর স্বচ্ছায়   বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মাদক  মামলার প্রধান আসামি প্রীতম পাল।আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গোপন সূত্রে জানা যায় প্রীতম পালকে আদালতে তুলে পুলিশ রিমান্ডে  চাওয়া হবে। 
সারাদেশ- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত