প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫১ পিএম
ছবি-যাযাদি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পর্যন্ত চলবে পাঁচ দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসব। এ উপলক্ষে উপজেলার ৩৯টি পূজামণ্ডপে শেষ হয়েছে প্রস্তুতি।
জানা যায়, এ বছর জগন্নাথপুর উপজেলায় মোট ৩৯টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৩৬টি সর্বজনীন এবং ৩টি পারিবারিক পূজামণ্ডপ রয়েছে। উপজেলার সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ হিসেবে পরিচিত জগন্নাথপুরের আখড়াবাড়ি পূজামণ্ডপ। প্রতিবছর এ মণ্ডপে বিপুলসংখ্যক ভক্ত, দর্শনার্থী ও পূজার্থীর সমাগম ঘটে। ৩৯টি পূজামণ্ডপে মধ্যে ১৪টি কেন্দ্রে ফিক্সড পুলিশ ডিউটি পালন করবে। প্রত্যেকটা পূজামণ্ডপে ৯ থেকে ১২জন আনসার সদস্য থাকবে। এছাড়া ও ৩৯টি পূজামণ্ডপে ৬টি মোবাইল টহলে দায়িত্বপালন করবে। পৌর পয়েন্ট ও চিলাউড়া পয়েন্ট ও চেকপোষ্ট থাকবে।
উপজেলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিজন কুমার দেব ও সাধারণ সম্পাদক বিভাশ দেবের নেতৃত্বে দুর্গোৎসব উদযাপনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিজন কুমার দেব জানান, উপজেলার সবকটি পূজামণ্ডপের জন্য সরকারি অনুদান বরাদ্দ থাকবে। পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতা উৎসব আরো প্রাণবন্ধ করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রশাসন, পূজা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে। ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উৎসবটি সবার মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দেবে এমন প্রত্যাশা তাঁদের।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার সেকেন্ড অফিসার আল আমিন বলেন, আমাদের পুলিশ সদস্যরা সব সময় মাঠে কাজ করবে। আমাদের ফিক্সড ডিউটি ছাড়াও মোবাইল টিম, সাদা পোশাকে সদস্য সহ আনসার সদস্যরা কাজ করে যাবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিন জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। পূজা শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন থাকবে।