প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৫.১০.২০২৬ ৬:২২ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
চায়নার কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল শাহনাজ আখতার রানু শনিবার সেদেশের কুনমিং হুয়াশিয়া আই হসপিটালে বাংলাদেশি চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা সেবা বিষয়ক গৃন চ্যানেল উদ্বোধন করেন —পিআইডি চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য চায়না যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসা সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ করতে বিশেষ ‘গৃন চ্যানেল’ চালু করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশটির কুনমিংয়ে অবস্থিত কুনমিং হুয়াশিয়া আই হসপিটালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবার উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল শাহনাজ রানু ‘গৃন চ্যানেল’-এর ফলক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রিদওয়ানুর রহমান এবং হুয়াশিয়া চক্ষু হসপিটালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝাং ঝিইয়ং উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টদের তথ্যে, নতুন এ ব্যবস্থায় বাংলাদেশি রোগীরা চায়না যাওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করাতে পারবেন। হসপিটালে পৌছানোর পর তাদের জন্য থাকবে পৃথক আন্তর্জাতিক ডেস্ক ও অগ্রাধিকার-ভিত্তিক এপয়েন্টমেন্ট। ভাষাগত সমস্যা এড়াতে দেয়া হবে দোভাষী সহায়তা। চিকিৎসা শেষে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরও রোগীরা ফলো-আপ সেবা পাবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল শাহনাজ রানু বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য খাতের অগ্রগতি এবং চক্ষু চিকিৎসায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্জনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশি রোগীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রোগীর নিরাপত্তা, সেবার স্বচ্ছতা, ন্যায্য মূল্য ও মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।
শাহনাজ রানু জানান, বাংলাদেশি রোগীদের জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, চিকিৎসার ব্যয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং রোগীর মর্যাদা সমুন্নত রাখাই বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের প্রধান প্রত্যাশা।
তিনি জানান, বাংলাদেশি রোগীদের চায়নায় চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও হুয়াশিয়া হসপিটাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ জন্য বাংলাদেশি চক্ষু চিকিৎসক ও নার্সদের প্রশিক্ষণ, টেলি-কনসালটেশন এবং বাংলাদেশের চক্ষু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশেই উন্নত চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেয়ার সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।