দণ্ডিত সাত আসামির খোজ পেলেই গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হবে

যাযাদি অনলাইন

আইন-আদালত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো.

2026-09-15T16:47:57+06:00
2026-09-15T20:34:35+06:00
বৃহস্পতিবার ● ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
আইন-আদালত
চিফ প্রসিকিউটর
দণ্ডিত সাত আসামির খোজ পেলেই গ্রেপ্তার করে দেশে আনা হবে
যাযাদি অনলাইন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম  আপডেট: ১৫.০৯.২০২৬ ৮:৩৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আসামিরা কে কোথায় রয়েছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবে আমরা আশ্বস্ত করতে পারি যে, যেহেতু তারা এখন দণ্ডপ্রাপ্ত, তাদের অবস্থান যদি আমরা শনাক্ত করতে পারি, তাহলে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেবো।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। 

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। কিছু কিছু অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যা রয়েছে, তা ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশন বা সংবিধিবদ্ধ অন্য যে সংস্থা রয়েছে, তাদের মাধ্যমে এ অর্থ জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত পরিবারের মধ্যে বণ্টনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল। অধিকাংশ আসামির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। 

আমিনুল ইসলাম বলেন, আসামিদের সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি ও ব্যক্তিগত দায়ের বিষয়টি সাক্ষ্যপ্রমাণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে কারফিউ ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত এবং ওবায়দুল কাদেরের শুট অ্যাট সাইট নির্দেশের পরই নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ অনেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমের ফেসবুক পেজে মন্তব্য করছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের সব বিচারকার্য তারা জানেন। তাদের বিরুদ্ধে বিচার চললেও তারা মোকাবিলা করেননি। এতে পরিষ্কার বুঝতে হবে যে আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক। তারা অপরাধ করেছেন বলেই পলাতক রয়েছেন। তাদের যেকোনো বক্তব্য আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া কোনো অপরাধী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকেন, তাহলে আইনে যেভাবে বিধান আছে সেভাবেই বিচারকার্য পরিচালিত হয়েছে। অতএব এখানে মানবাধিকার সংগঠনেরও মন্তব্যের কোনো অবকাশ নেই।

সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রায় প্রকাশিত হওয়ার পর ৩০ দিন পর্যন্ত আপিলের সময়সীমা থাকবে। ৩০ দিন পর্যন্ত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার হয়তো সুযোগ নেই। কিন্তু ৩০ দিন পর থেকে বাংলাদেশ সরকার এ রায় বাস্তবায়ন করতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
  বিষয়:   দণ্ডিত  সাত আসামি  গ্রেপ্তার 


আইন-আদালত- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত