প্রকাশ: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৬ এএম
সংগৃহীত ছবিশুক্রবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
জুমার নামাজের পর মালিবাগের সোহাগ বাস কাউন্টারের সামনে প্রথম ককটেল বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে এই সহিংসতার সূচনা হয়। এরপর দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ককটেল ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা।
বিকেলের দিকে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবনের সামনে এবং মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে নিচে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।
পরবর্তীতে রামপুরায় বিটিভি ভবনের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে যাত্রাবাড়ী থানা ভবনের সামনে ও ট্রাফিক বক্সের কাছে পৃথক বিস্ফোরণ ঘটে, যেখানে ককটেলের আঘাতে ইবাদুর রহমান নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাতের দিকে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান এবং মগবাজার মোড়ে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রায় সবক্ষেত্রেই ফ্লাইওভার বা উঁচু স্থান থেকে নিচে ককটেল ছুড়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
এরপর রাত সোয়া ১০টার দিকে কাফরুল থানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ‘মিরপুর সুপার লিংক’ মালিক সমিতির একটি যাত্রীবাহী বাসে (ঢাকা মেট্রো-ব ১১-৭২৩৭) আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও স্থানীয়দের সহায়তায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
ঘটনার বিষয়ে কাফরুল থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম বাসে আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, এসব নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তিগত তদন্ত শুরু হয়েছে।