প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪১ পিএম
সংগৃহীত ছবিবাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে নতুন প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতার পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী সব মার্চেন্ট পয়েন্টেও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনে এই প্রণোদনার সুবিধা পাওয়া যাবে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস্ ডিপার্টমেন্ট-২ থেকে এ সংক্রান্ত নতুন সার্কুলার লেটার (পিএসডি-২ সার্কুলার নং-০৭) জারি করা হয়। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ডকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্টের পাশাপাশি এখন থেকে ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টেও এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠান ০ দশমিক ১০ শতাংশ হারে এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ০ দশমিক ২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবে।
এর আগে গত ১০ আগস্ট জারি করা পিএসডি-২ সার্কুলারে (সার্কুলার নং-০৩) শুধু মাত্র ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ডকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পাদিত দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে এই প্রণোদনা দেওয়ার বিধান ছিল। সে সময়ও একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠানকে ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে মাসিক প্রণোদনা দেওয়া হতো।
পরবর্তীতে ২৭ সেপ্টেম্বরের নতুন সার্কুলারে আগের সেই সার্কুলারের অনুচ্ছেদ ২ সংশোধন করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতাদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টকেও এই প্রণোদনার আওতাভুক্ত করা হলো। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগের সার্কুলে উল্লিখিত অন্যান্য শর্তাদি ও অনুচ্ছেদগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। ডিজিটাল লেনদেনকে জনপ্রিয় করতে এবং ক্যাশলেস সমাজ গঠনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।