প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
ছবি-যাযাদি রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নে সৎ বাবা কর্তৃক মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ও প্রতিবেশী সহ সকলের বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগকে অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেছে কিশোরী ও তার মা।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভিকটিম কিশোরী জানান, ঘটনার ৯দিন আগে মায়ের সাথে রাগ করে রাস্তা দাড়িয়ে কান্না করছিলো সে। এমতাবস্থায় প্রতিবেশী পান্না শরীফ (৭০) রাস্তা থেকে তাকে নিয়ে যায়। ঘরে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে এবং পায়জামা খুলে।কিন্তু ধর্ষণ করতে পারেনি। পরবর্তীতে পান্না শরীফের প্রতিবন্ধী ছেলের সাথে একই রুমে ৯দিন আটকে রাখে। কিশোরীর অভিযোগ পান্না শরীফ তার প্রতিবন্ধি ছেলের সাথে কিশোরীকে বিয়ে দিবে বলে তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে এবং এসব কথা কাউকে না বলার জন্য বলে। যদি কারো সাথে বলে তাহলে মেরে বস্তা বন্ধি করে পানিতে ফেলে দিবে ভয় ভীতি দেখায়।
ভুয়া পুলিশ সাজিয়ে তাকে দিয়ে কিশোরীকে নিজের বাবা এবং প্রতিবেশী শহিদুল ও ইব্রাহিম নাম থানা পুলিশের কাছে স্বীকার করতে বলে। অন্যথায় মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়। পরবর্তীতে ঘটনা ধামাচাপা দিতে পান্না শরীফ নিজেই স্থানীয় গণ্যমান্য ও প্রশাসনকে বিষয়টি জানান দেয়।
কিশোরীর মা জানান, হঠাৎ সেদিন পুলিশ গিয়ে ঘরের সামনে হাজির হয়ে এসব বিষয়ে জানতে চায়। ঘটনার কোন কিছু আগে থেকে না জানায় কোন উত্তর দিতে পারিনি। পরে একটা কাগজে সাক্ষর নিয়ে মেয়ের বাবা ও আরো একজন ছেলেকে ধরে নিয়ে যায়।দ্রুত সময়ে আসল অপরাধীকে গ্রেফতার করে নিজের স্বামী ও নিরাপদ ব্যক্তিদের মুক্তির জন্য জোর আকুতি জানিয়েছে পরিবারটি।
এসকল বিষয় অস্বীকার করে পান্না শরীফ বলেন, ঘটনাটি হচ্ছে আমি গাছের কাজ করছিলাম,হঠাৎ মেয়েটি কান্না করতে করতে আমার কাছে আসে। পরবর্তীতে আমি তাকে কি হয়েছে জানতে চাইলে, মেয়েটি বলে তার বাবা তাকে বাসায় গেলে মারধর করে সে আর বাসায় যাবেনা। পরে আমি তাকে আমার বাসায় নিয়ে যাই। তিনদিন আমার বাসায় থাকে। তিন দিন পর হঠাৎ বাসায় থেকে পালিয়ে যায়। পরে খোঁজখবর নিয়ে তাকে পেয়ে তার মা বাবার কাছে পৌছে দিয়েছি।
লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ জাকারিয়া বলেন, মেয়ের জবানবন্দি অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে নতুন কোন কিছু পাওয়া যায়নি।