প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৯ পিএম
ছবি: ফিফাফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই ৬-১ গোলে পিছিয়ে পড়ে লাল-সবুজের দল। এই জয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে গেছে ইন্দোনেশিয়া। বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় পরাজয়।
আজ দেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরীর জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে সতীর্থরা ভালো ফুটবল উপহার দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখবেন, এমন প্রত্যাশা ছিল। তবে ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স হতাশ করেছে। ইন্দোনেশিয়ার মিচেল লি বেকার একাই করেন চার গোল। তাঁর গোলেই প্রথমার্ধে বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা।
প্রথমার্ধের ৬-১ গোলের ব্যবধান বাংলাদেশের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়ের শঙ্কা তৈরি করে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভাগ কিছুটা ভালো করায় দীর্ঘ সময় আর কোনো গোল হজম করেনি বাংলাদেশ। ফলে ম্যাচটি আর বড় ব্যবধানে গড়াবে না বলেই মনে হচ্ছিল।
তবে ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশকে আরও তিনবার পরাস্ত করে ইন্দোনেশিয়া। শেষ পর্যন্ত ৯-২ গোলের ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হয়।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল আসে ম্যাচের দুই প্রান্তে। ৩৬ মিনিটে শাহরিয়ার ইমন একটি গোল করেন। এরপর যোগ করা সময়ে ইংল্যান্ডপ্রবাসী ফারহান আলী ওয়াহিদ বাংলাদেশের দ্বিতীয় গোলটি করেন। তাঁর গোলে বাংলাদেশ আরেকবার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের হাত থেকে রক্ষা পায়।
এর আগে বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে তিনবার এক ম্যাচে ৯ গোল হজম করার ঘটনা ঘটেছে। ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৯-০ গোলে এবং ১৯৮২ সালে ইরানের কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ১৯৭৫ সালে হংকংয়ের বিপক্ষেও ৯-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের এই পরাজয় বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে বড় ব্যবধানে হারের তালিকায় যুক্ত হলো। অন্যদিকে, নিজেদের মাঠে বড় জয় তুলে নিয়ে ফিফা আসিয়ান কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইন্দোনেশিয়া।