প্রকাশ: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৯ পিএম
সংগৃহীত ছবিজাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ ২ অক্টোবর। দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিবছর এ দিবসটি পালিত হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় উৎপাদনশীলতা সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য— ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’।
দিবসটি উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর-১ চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। একই স্থানে জাতীয় উৎপাদনশীলতা উদ্ভাবন মেলার উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বাণীতে বলেছেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।