প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ০৯.১০.২০২৬ ৭:৪৯ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
* তিনটি কৌশলগত স্থানে গ্যাস অনুসন্ধানের প্ল্যান রয়েছে
* সরকারের উচ্চ পর্যায়ে উন্নয়ন প্রজেক্ট প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে
* সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে
জামালপুরের মাদারগঞ্জে দেশের ৩০তম গ্যাস ক্ষেত্র ‘জামালপুর-১’ এ গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এবার একই প্রজেক্টের আওতায় আরো দুটি নতুন অনুসন্ধান কূপ খননের জোরালো প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
নতুন কূপ দুটি খননের জন্য এরই মধ্যে সিভিল ওয়ার্ক ও স্থান নির্ধারণের কাজ শেষ করে সরকারের উচ্চপর্যায়ে উন্নয়ন প্রজেক্ট প্রস্তাবনা (ডিপিপি) পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাপেক্সের ফিল্ড ইনচার্জ বাইজিদ হোসেন। নতুন এই দুটি কূপের অনুমোদন মিললে খুব দ্রুতই মাঠপর্যায়ে খনন কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, মাদারগঞ্জ উপজেলার মোট তিনটি কৌশলগত স্থানে গ্যাস অনুসন্ধানের প্ল্যান রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি উপজেলার তারতাপাড়া গ্রামে অবস্থিত ‘জামালপুর-১’ কূপ, যেখান থেকে দৈনিক গড়ে ১০ মিলিয়ন (১ কোটি) ঘন ফিট পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন প্ল্যানের আওতায় দ্বিতীয় কূপটি উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের সিংদহ এলাকায় এবং তৃতীয় কূপটি চরপাকেরদহ ইউনিয়নের নব্যচর এলাকায় স্থাপনের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে স্থানগুলোতে ‘সয়েল টেস্ট’ বা মাটি পরীক্ষার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বাপেক্সের প্ল্যান ও আইসিটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুর রউফ জানান, নতুন কূপ দুটি ‘জামালপুর-২’ এবং ‘জামালপুর নর্থ-১’ নামে নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রজেক্ট দুটি প্ল্যান কমিশনের ডিপিপি অনুমোদনের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
নতুন এই দুই কূপে গ্যাসের বাণিজ্যিক উপস্থিতি ও মোট মজুতের পরিমাণ শতভাগ যাচাই করার পর গ্যাস উত্তোলন এবং তা জাতীয় সঞ্চালন লাইনে (গৃড) যুক্ত করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
নতুন কূপগুলোর প্রতিটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার ৫০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন করা হবে। নতুন দুটি কূপ খননের একটি হবে এপ্রোজাল কাম ডেভেলপমেন্ট এবং অন্যটি হবে অনুসন্ধান কূপ।