মহেশখালীতে হারিয়ে যাচ্ছে দুই শতকের ঐতিহ্য

বিজনেস

সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার)কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে বাশের বাণিজ্য। এক সময় পাহাড়ি

2026-10-24T00:00:00+06:00
2026-10-24T18:14:05+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
বিজনেস
বাশের ভেলা নেই
মহেশখালীতে হারিয়ে যাচ্ছে দুই শতকের ঐতিহ্য
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  আপডেট: ২৪.১০.২০২৬ ৬:১৪ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
মহেশখালীতে খালের পাড়ে এখনো স্তূপ করে রাখা হয়েছে বাশ —যাযাদি
সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) 
কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে বাশের বাণিজ্য। এক সময় পাহাড়ি এলাকা থেকে বাশবোঝাই বিশাল ভেলা এসে ভিড়ত রশিদ মিয়ার বৃজ ও বরুনা ঘাটে। শ্রমিকদের হাকডাক, ব্যবসায়ীদের দরদাম আর বাশ ওঠানো-নামানোর ব্যস্ততায় মুখর থাকত ঘাট দুটি। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই চেনা দৃশ্য এখন অনেকটাই অতীত। আধুনিক নির্মাণসামগ্রী ও প্লাস্টিকের ব্যাপক ব্যবহারে বাশের চাহিদা কমে যাওয়ায় সংকুচিত হয়েছে ব্যবসা। সেই সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে শতবর্ষী ঐতিহ্য, কর্মচাঞ্চল্য ও বহু মানুষের জীবিকার পুরনো অবলম্বন।
সরেজমিনে মহেশখালীর রশিদ মিয়ার বৃজ ও বরুনা ঘাট ঘুরে দেখা যায়, খালের পাড়ে এখনো কোথাও কোথাও স্তূপ করে রাখা হয়েছে বাশ। কয়েকজন শ্রমিক বাশ ওঠানো-নামানোর কাজ করছেন, আবার কোথাও তৈরি হচ্ছে বাশের বেড়া। তবে অতীতের ব্যস্ততার তুলনায় এ কর্মতৎপরতা খুবই সীমিত। এক সময় যেখানে শত শত শ্রমিকের কর্মব্যস্ততা আর বাশবোঝাই ভেলার আনাগোনায় ঘাট দুটি সরগরম থাকত, সেখানে এখন নেমে এসেছে অনেকটাই নিস্তব্ধতা।

ঘাটের এক প্রবীণ শ্রমিকের ভাষায়, ‘আগে প্রতিদিন বাশের কাজ থাকত। এখন ঘাটে এসে বসে থাকলেও কাজ মেলে না। সংসার চালাতে অন্য পেশার কথা ভাবতে হচ্ছে।’

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় আলীকদমসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে বাশ সংগ্রহ করে বর্ষা মৌসুমে নদীপথে মহেশখালীতে আনা হতো। শত শত বাশ এক সঙ্গে বেধে তৈরি করা হতো বিশাল ভেলা। এই বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল পরিবহন, শ্রম ও খুচরা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত মানুষের জীবিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

স্থানীয় প্রবীণ ব্যবসায়ীদের দাবি, রশিদ মিয়ার বৃজ ও বরুনা ঘাটের সঙ্গে প্রায় দুই শতকের বাশ বাণিজ্যের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। এক সময় যে বাশের বাণিজ্য ঘাট দুটিকে প্রাণবন্ত করে রাখত, সেই বাণিজ্য এখন টিকে থাকার চ্যালেঞ্জের মুখে।

বিজনেস- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত