কালীগঞ্জে কাচা সড়কে কৃষক বিপাকে 

বিজনেস

কালিগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিস্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পাকা সড়কের স্বপ্ন পূরণ হয়নি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াশালুয়া গ্রামের মানুষের।

2026-10-24T00:00:00+06:00
2026-10-24T18:16:26+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
বিজনেস
কালীগঞ্জে কাচা সড়কে কৃষক বিপাকে 
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  আপডেট: ২৪.১০.২০২৬ ৬:১৬ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াশালুয়া গ্রামের সড়ক —যাযাদি
কালিগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও পাকা সড়কের স্বপ্ন পূরণ হয়নি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াশালুয়া গ্রামের মানুষের। বছরের পর বছর উন্নয়নের আশ্বাস মিললেও সড়কটির স্থায়ী সমাধান হয়নি। বর্ষায় কাদাপানি আর শুষ্ক মৌসুমে খানাখন্দে ভরা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রামের হাজারো মানুষ। বিশেষ করে কৃষকেরা উৎপাদিত ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে নিতে গিয়ে বাড়তি শ্রমিক ও পরিবহন খরচের চাপে পড়ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নিয়ামতপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াশালুয়া গ্রামের বিস্তীর্ণ কৃষিজমির মধ্য দিয়ে যাওয়া কাচা সড়কটি আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। সড়কটির পাশের মাঠে ধান, গম, মসুর, কলাইসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়। প্রতিদিন কৃষক, কৃষিশ্রমিক ও সাধারণ মানুষ নানা প্রয়োজনে রাস্তাটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে সড়ক জুড়ে কাদা ও পানি জমে থাকায় পায়ে হেটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে। শুষ্ক মৌসুমে পানি না থাকলেও গর্ত ও উচু-নিচু মাটির কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতেও সমস্যার সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন কৃষকেরা। উৎপাদিত ফসল মাঠ থেকে বাড়িতে নিতে বাড়তি সময়, শ্রমিক ও পরিবহন খরচ গুনতে হচ্ছে তাদের। এতে কৃষির উৎপাদন ব্যয়ের পাশাপাশি ফসল ঘরে তোলার খরচও বাড়ছে।

কৃষক তরিকুল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মৌসুমেও গর্তের কারণে সমস্যায় পড়তে হয়। সড়কটি ভালো হলে কৃষিকাজের খরচ কমবে, সময় বাচবে এবং উৎপাদিত ফসল সহজে বাড়িতে নেয়া সম্ভব হবে।’

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাহবুবুর রহমান মিলন বলেন, ‘সড়কটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক এবং এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এত দিন সড়কটির আইডি না থাকায় পাকা করণের কাজ করা সম্ভব হয়নি। আইডি পাওয়ার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে।’

কালীগঞ্জের ইউএনও রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ‘সড়কটি পাকা করণের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়েও আবেদন করা হয়েছে।’
দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটিয়ে সড়কটি কবে পাকা হবে, এখন সেই অপেক্ষায় রয়েছেন আড়ুয়াশালুয়া ও আশপাশের গ্রামের মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহনসহ দৈনন্দিন চলাচলে দুর্ভোগ কমাতে সড়কটির টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।

বিজনেস- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত