প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৪.১০.২০২৬ ৬:১৪ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
এবিএস লিটন, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা)
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ মা ও শিশু কন্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকায় স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী। আর এই লোকবল সংকটের কারণে আধুনিক ভবন ও অপারেশন থিয়েটারের ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাদি থাকলেও ব্যবহার না হওয়ায় ক্রমেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য সেবার জন্য স্থাপিত এই হসপিটাল চত্বর সন্ধ্যা নামলেই বসছে অসামাজিক কার্যকলাপ, জুয়া ও মাদকের আড্ডা।
স্থানীয়রা জানান, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জে প্রায় দুই বছর আগে শেষ হয় ১০ শয্যা মা ও শিশু কল্যাল স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবন নির্মাণ কাজ। বসানো হয় অপারেশনের সব আধুনিক সরঞ্জামাদি। কিন্তু দীর্ঘদিনেও চিকিৎসক না থাকায় ধুলো ময়লায় নষ্ট হচ্ছে চিকিৎসার সরঞ্জাম। বিভিন্ন ভবনের ময়লার আস্তরণে এরই মধ্যে দেয়াল ও ঘরের রং বিনষ্ট হতে বসেছে।
বতমানে মহিমাগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে এক জন প্যাথলজিস্ট আরেক জন পরিদর্শক দিয়ে চলছে এর স্বাস্থ্য সেবা কার্যত্রুম। কিন্তু দুই জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও তাদের নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। অন্যদিকে চিকিৎসক না থাকায় গর্ভবতী মা ও শিশু রোগে আক্রান্ত হলেই ছুটতে ১৪ কিলিমিটার দূরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এতে নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হতে হয় এই সেবা গ্রহীতাদের। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দূরে থাকায় গর্ভবতী ও নবজাতকের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিতে মাঝেমধ্যে চরম ভোগান্তিসহ মৃত্যুঝুকি নিতে হয় তাদের।
গাইবান্ধা জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইউনিয়নের জন্য স্থাপিত যে স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তার অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় লোকবল নেই। যে কারণে সেবাদানের ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন এই সংকট কাটিয়ে উঠতে কর্মী নিয়োগের কাযক্রম চলমান রয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলে এই পরিস্থিতি কাঠিয়ে উঠবে।’