প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম আপডেট: ০৬.১০.২০২৬ ৫:৫৬ পিএম
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল। বাংলাদেশে MRO স্থাপনে বিনিয়োগের আহ্বান | HRCM প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা কামনা| ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি চায় সরকার।
দেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়নে জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার। বাংলাদেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (MRO) সুবিধা স্থাপনে লুফথানসার বিনিয়োগ এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। লুফথানসার মতো আন্তর্জাতিক এভিয়েশন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাত আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশে MRO সুবিধা স্থাপনে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেও লুফথানসা সহযোগিতা করতে পারে।
বৈঠকে বাংলাদেশে আসা কার্গো ও মেইলের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (HRCM) স্ট্যাটাস প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। ২০১৭ সাল থেকে এ স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নিরাপত্তা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে উল্লেখ করে HRCM স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়নে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য সরকার কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী। এয়ারবাসের ডেলিভারি ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের আগেই এসব উড়োজাহাজের ডেলিভারি শুরু হওয়া জরুরি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।