প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
ছবি-যাযাদি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বনপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সানাউল্লাহ নূর বাবু হত্যার বিচার প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে হবে বলে ঘোষনা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলায় শহীদ সানাউল্লাহ নূর বাবুর ১৬তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।
শনিবার বিকেলে বনপাড়া বাজারের বাবু চত্বরে উপজেলা বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠন ওই স্মরণসভার আয়োজন করে।
দুলু বলেন, সত্য উন্মোচনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। সেদিন যদি সাংবাদিকরা সহসী ভূমিকা নিয়ে বাবুর উপর হামলার ঘটনা ভিডিও করা ও ছবি না তুলতো তাহলে আজ সেই সত্য চাপা পড়ে যেত। কারন বাবু হত্যার পরের দিনই ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সংসদে দাড়িয়ে বলেছিলেন, বিএনপির অভ্যন্তরিন কোন্দলে বাবু খুন হয়েছে। কিন্তু যখন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় বাবু হত্যার দৃশ্য প্রকাশ পায় তখন তিনি চুপ হতে বাধ্যহন।
জেলা বিএনপির সদস্য ও বনপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব এম. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর, বাবুর সহধর্মিনী মহুয়ানূর কচি, সাইফুল ইসলাম আফতাব, সাংবাদিক নাসিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট শরিফুল হক মুক্তা, সাবেক মেয়র ইছাহাক আলী, অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু, মুস্তাফিজুর রহমান পারভেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বনপাড়া বাজারে বিএনপির মিছিলে হামলার শিকার হন সানাউল্লাহ নূর বাবু। ওই হামলায় তিনি শহীদ হন। এ ঘটনায় পরদিন তাঁর স্ত্রী মহুয়া নূর কচি বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে আদালতে সম্পূরক আবেদনের মাধ্যমে আরও ১৮ জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে মামলায় মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়ায়
৪৫ জন।
দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০২১ সালে মামলাটির অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ও ক্ষোভ রয়েছে নিহতের স্বজন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে।