প্রকাশ: রোববার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ১১.১০.২০২৬ ৩:৫৩ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
আমির খসরুবাংলাদেশ ভয়েস অফ আমেরিকার সাবেক প্রতিনিধি ও অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক বুধবারের সাবেক নির্বাহী সম্পাদক আমির খসরু মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। বাংলাদেশ মেডিকাল ইউনিভার্সিটির (সাবেক পিজি হসপিটাল) আইসিইউতে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও লিভারের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন আমির খসরু। গুরুতর অসুস্থ হয়ে কয়েক দিন আগে হসপিটালে ভর্তি হন তিনি।
চার দশকের বেশি সময় সাংবাদিকতা করেন আমির খসরু। ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় সাপ্তাহিক বিচিত্রায় লেখালেখির মধ্য দিয়ে তার সাংবাদিকতা শুরু হয়। পরে দৈনিক সংবাদ, দৈনিক খবর ও চ্যানেল আই এবং দৈনিক ইত্তেফাকে রাজনৈতিক ও ডিপ্লোম্যাটিক রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। এরপর তিনি দীর্ঘদিন ভয়েস অফ আমেরিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সাপ্তাহিক যায়যায়দিন এবং অধুনালুপ্ত হলিডেতে নিয়মিত কলাম লিখতেন। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্থায়ী সদস্য ছিলেন। আমির খসরুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধান মন্ত্রী তার শোক বার্তায় বলেন, ‘আমির খসরু বরাবরই ছিলেন গণতন্ত্র, সত্য ও যুক্তির পক্ষে সোচ্চার।’ উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে সচিবালয়ে প্রবেশে আমির খসরুকে একৃডিটেশন কার্ড দেয়া হয়নি।
লন্ডন থেকে শোক প্রকাশ করেছেন যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান, যায়যায়দিনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুমিত রেহমান এবং ডেমক্রেসিওয়াচের চেয়ারম্যান তালেয়া রেহমান। শফিক রেহমান তার সম্পর্কে বলেন, ‘তিনি সৎ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’ তালেয়া রেহমান ডেমক্রেসিওয়াচের নির্বাচনী কাজে আমির খসরুর সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করেন। সুমিত রেহমান তার রসবোধেরও প্রশংসা করেন এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে আমির খসরুর মতামত নিতেন বলে জানান।
আজ রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।