ইনডিয়ার চিফ ইলেকশন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) শনিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করলে পুলিশ এক নারীকে এভাবে আটক করে নিয়ে যায় —দি গার্ডিয়ান অনলাইন চিফ ইলেকশন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি
* পদত্যাগের দাবি ঠেকাতে দিল্লির পথে পথে পুলিশ
* চার মুখ্য মন্ত্রীসহ রাজধানীতে দুই হাজারের বেশি মানুষ আটক দেশ জুড়ে ১০ হাজার
* ইন্টারনেটসহ বন্ধ ৫৭টি মেট্রো স্টেশন, বাতিল একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন
* চিফ ইলেকশন কমিশনারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে
আগের দিনই ঘোষণা করা হয়েছিল, ইনডিয়ার চিফ ইলেকশন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) শনিবার রাজধানীতে বড় বিক্ষোভ করবে। সঙ্গে যোগ দেবেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারা। ফলে সরকারও প্রস্তুতি নিয়েছিল বিক্ষোভ ঠেকানোর। দিল্লিতে বিক্ষোভ শুরুর আগেই আটক করা হয় আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা তিন শীর্ষ নেতাকে। বন্ধ করে দেয়া হলো ইন্টারনেট ও মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন, বাতিল করা হলো দূরপাল্লার একাধিক ট্রেন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থগিত করা হলো মোবাইল ইন্টারনেট সেবা। সড়কে সড়কে ব্যারিকেড, তল্লাশি আর পুলিশের গাড়ি। তবু থামানো যায়নি ক্ষোভের বহির্প্রকাশ। ইনডিয়ার চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এদিন (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই কর্মসূচি ঘিরে রাজধানী জুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়ের ঘটনা ঘটেছে। দিল্লিতে দুই হাজারের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। তবে সিজেপির দাবি, দেশ জুড়ে আটক হয়েছে অন্তত ১০ হাজার মানুষ। তথ্যসূত্র : রয়টার্স, এনডিটিভি, ইনডিয়ান এক্সপ্রেস, দি হিন্দু
ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিপুল সংখ্যক (১৩ কোটির বেশি) ভোটারের নাম বাদ দেয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন। বিরোধীদের অভিযোগ, তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ার প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নির্বাচনী সুবিধা নিশ্চিত করেছে। ইলেকশন কমিশন ও ক্ষমতাসীন বিজেপি অবশ্য অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, ভোটার তালিকা যাচাইয়ের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় অযোগ্য, মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।
কিন্তু অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই আন্দোলন দমনে নেয়া কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। নির্ধারিত কর্মসূচির আগেই নেতাদের আটক, বিক্ষোভ স্থলে প্রবেশে বাধা এবং পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিধিনিষেধ— সব মিলিয়ে দিল্লির পরিস্থিতি শনিবার ছিল উত্তপ্ত। বিক্ষোভকারীদের দাবি, গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার রক্ষার আন্দোলন ঠেকাতেই এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
প্লেনে আটক সিজেপির শীর্ষ নেতারা
দিল্লির যন্তর মন্তরে সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই এয়ারপোর্টে আটক করা হয় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের দুই সিনিয়র নেতা সৌরভ দাশ ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। মুম্বাই থেকে আসা তাদের প্লেন দিল্লিতে নামার পরই পুলিশ তাদের আটক করে বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্লেনের ভেতরে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে অভিজিৎ দীপকের কথোপকথনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায়, তিনি গ্রেফতার হতে এসেছেন এবং পুলিশকে ভয় পান না।
তিন নেতাকে আটকের পর তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে সিজেপি। দলের দাবি, তাদের পরিবারের সদস্যদেরও যথাযথভাবে জানানো হয়নি এবং আইনজীবীরাও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। অভিজিৎ দীপকের দাদির মৃত্যুর খবর সামনে আসার পরও তার অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে পুলিশ বলেছে, দীপককে তার দাদির মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল এবং শেষকৃত্যে যোগ দিতে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থায় সহায়তার প্রস্তাবও দেয়া হয়।
সিজেপির নেতা অজিঙ্কা শিন্দে জানিয়েছেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তাদের বক্তব্য, নেতাদের আটক করে কিংবা সমাবেশের জায়গা বদলে দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না। যেখানে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হবে, সেখানেই প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
রাজধানী জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা
যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে কড়া নিরাপত্তা ছিল। হাজার হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন স্থানে চেক পোস্ট বসিয়ে যানবাহন থামানো হয়; বাসে বাসে তল্লাশি চালিয়ে বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা ব্যক্তিদের খোজা হয়। কোথাও কোথাও ব্যারিকেড ও কংকৃটের প্রতিবন্ধকতায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।
কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। দিল্লির কয়েকটি স্থানে ছোট ছোট প্রতিবাদ হলেও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাসে তুলে নিয়ে যায়। ইনডিয়া গেটের আশপাশের এলাকা, জনপ্রিয় হস্তশিল্পের বাজার এবং মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধের কাছেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়। এসব কর্মসূচিতে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও সাময়িকভাবে আটক করা হয় বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিরাপত্তার অংশ হিসেবে শুক্রবার রাত থেকেই মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখা হয়। দিল্লিগামী দূরপাল্লার একাধিক ট্রেন বাতিল বা চলাচলে পরিবর্তন আনা হয়। বিক্ষোভ স্থলের চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা শনিবার রাত পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল বলে মিডিয়ার খবরে বলা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাতেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় যন্তর মন্তরে কর্মসূচি আয়োজন নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পুলিশের বক্তব্য ছিল, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা হয়নি এবং আগের কর্মসূচি নিয়ে দেয়া কিছু শর্ত ভঙ্গের অভিযোগও রয়েছে। তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, প্রশাসনিক বিধিনিষেধকে ব্যবহার করে তাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আটকে দেয়া হয়েছে।
বিরোধী নেতারাও আটক
সিজেপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুধু তরুণ আন্দোলনকারী নয়, বিরোধী রাজনীতিকদেরও আটক করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্য মন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্য মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্য মন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের আটক করা হয়। মমতার সঙ্গে তৃণমূলের কয়েক জন এমপিও ছিলেন। ত্রিপুরার সাবেক মুখ্য মন্ত্রী মানিক সরকারকেও এদিন আটক করা হয়।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সোশাল মিডিয়ায় দেয়া বার্তায় চিফ ইলেকশন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেন। তার বক্তব্য, জ্ঞানেশ কুমারকে সরে যেতে হবে; এরপরই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হবে। সরকার বিরোধী আন্দোলন থেকে বিরোধীরা পিছিয়ে আসবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা কে সি বেণুগোপাল দিল্লির বিধিনিষেধকে জনগণের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বিক্ষোভকারীদের ‘নৈরাজ্যবাদী’ আখ্যা দিয়ে কর্মসূচিকে ব্যর্থ বলে দাবি করেন। বিজেপির আরেক সিনিয়র নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদের অভিযোগ, ইলেকশনে পরাজয়ের পর বিরোধীরা রাস্তায় প্রতিবাদকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
দিল্লির বাইরে মুম্বাইয়েও ধরপাকড় হয়েছে। সেখানে আগস্ট ক্রান্তি মাঠে সিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার পর বলিউড অভিনেতা ইমরান খানকে আটক করে পুলিশ। তিনি অভিনেতা আমির খানের ভাগ্নে। ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাকেও দিল্লিতে আটক করা হয়েছিল। পরে মুক্ত হয়ে তিনি সোশাল মিডিয়ায় জানান, পুলিশ তার ফোন নিয়ে গিয়েছিল এবং পরে তা ফিরিয়ে দিয়েছে; আটক নারীদেরও ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কনটেন্ট নির্মাতা ধ্রুব রাঠি, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের আটক করা হয়।
১৩ কোটি নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক
এই আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধন। ইলেকশন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, যাচাই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি ভোটার-এন্টৃ বাদ পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ছয় কোটি ৩০ লাখ ব্যক্তি অন্যত্র চলে গেছে, তিন কোটি ব্যক্তির খোজ পাওয়া যায়নি এবং দুই কোটি ৮০ লাখ ভোটার মৃত বলে চিহ্নিত হয়েছে। ইলেকশন কমিশনের বক্তব্য, খসড়া তালিকা যাচাইয়ের সময় এসব নাম বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যোগ্য কোনো ভোটারের নাম ভুল করে বাদ পড়লে তিনি পুনরায় নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
তবে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেয়ার প্রভাব সাম্প্রতিক কয়েকটি রাজ্য নির্বাচনের ফলাফলেও পড়েছে। বিশেষ করে প্রান্তিক ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সমালোচকরা। সম্প্রতি ইনডিয়ান এক্সপ্রেসের এক রিপোর্টে বলা হয়, ভোটার তালিকা সংশোধন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও ইলেকশন কমিশনের ডিজিটাল ব্যবস্থা নিয়ে কমিশনের দুই সদস্য গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি তুলেছিলেন। এই রিপোর্ট প্রকাশের পরই জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি আরো জোরালো হয়।
ইলেকশন কমিশন ও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করলেও প্রশ্ন উঠেছে, এত বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেয়ার প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ছিল এবং যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের সবার কাছে পুনরায় নিবন্ধনের সুযোগের তথ্য পৌছাবে কি না। আগামী ২০২৭ সালের শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাজ্যে ইলেকশন হওয়ার কথা। তার আগে ভোটার তালিকা নিয়ে এই বিতর্ক ক্ষমতাসীনদের জন্য রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
আন্দোলনের শিকড় তরুণদের ক্ষোভে
ককরোচ জনতা পার্টি মূলত ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন উদ্যোগ হিসেবে পরিচিতি পায়। বেকার তরুণদের ‘তেলাপোকা’ বলে মন্তব্য করার পর প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে ঘিরে তৈরি ক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সংগঠনটির পরিচিতি বাড়ে। পরে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসসহ বিভিন্ন ইসুতে তরুণদের ক্ষোভ সংগঠিত হতে থাকে। জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাসের অভিযোগে আন্দোলনের পর দেশটির শিক্ষা মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাও তরুণদের প্রতিবাদী রাজনীতিতে উৎসাহ জুগিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
‘আল-জাজিরা’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সঞ্জয় কাপুর বলেন, ‘সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে বিজেপির উদ্বেগ ও আশঙ্কা স্পষ্ট।’ তার মতে, যাতায়াতের পথ বন্ধ করা এবং বিক্ষোভ স্থলে পৌছানোর সুযোগ সীমিত করার ঘটনা সরকারের রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়।
তবে আটকের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রের হিসাবে পার্থক্য রয়েছে। রয়টার্স দিল্লিতে দুই হাজারের বেশি আটকের কথা জানিয়েছে; অন্যদিকে সিজেপি দেশ জুড়ে অন্তত ১০ হাজার মানুষ আটক হওয়ার দাবি করেছে। এসব সংখ্যার স্বাধীনভাবে নিশ্চিত পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর রাস্তায় কড়া নিরাপত্তা আর ধরপাকড়ের মধ্যেও আন্দোলনকারীদের বার্তা স্পষ্ট— ভোটার তালিকা সংশোধনের অভিযোগের জবাব ও চিফ ইলেকশন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তারা পিছু হটতে রাজি নন। তবে ইলেকশন কমিশন ও বিজেপি অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থানে অনড়। ফলে দিল্লির এই বিক্ষোভ কেবল একটি দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না; ভোটাধিকার, ইলেকশন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে ইনডিয়ার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিচ্ছে।