প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৪ পিএম
ছবি-যাযাদি যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ১৮০তম বিশ্ব অ্যানেস্থেসিয়া দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি এবং বহির্বিভাগে রোগী ও সাধারণ মানুষের জন্য সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আলোচনা সভায় কার্ডিলজি বিভাগের প্রধান ডা, সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ডা. মোঃ মিজানুর রহমান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোঃ মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ডাঃ আশরাফ উদ্দিন মল্লিক, ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রাশেদ সহ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকবৃন্দ।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা অ্যানেস্থেসিয়ার গুরুত্ব, নিরাপদ অস্ত্রোপচার এবং রোগীর জীবন রক্ষায় অ্যানেস্থেসিওলজিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন।
হাসপাতলের বহির্বিভাগে আয়োজিত সচেতনতামূলক আলোচনায় অ্যানেস্থেসিয়া সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, অ্যানেস্থেসিয়া শুধু অস্ত্রোপচারের সময় ব্যথামুক্ত রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং অস্ত্রোপচারের আগে রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন, অপারেশন চলাকালে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদযযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী নিবিড় পরিচর্যায় অ্যানেস্থেসিওলজিস্টরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
এ সময় রোগীদের উদ্দেশে বলা হয়, অ্যানেস্থেসিয়া গ্রহণের আগে নিজের শারীরিক সমস্যা, চলমান ওষুধ, অ্যালার্জি এবং পূর্ববর্তী অ্যানেস্থেসিয়ার কোনো জটিলতার ইতিহাস চিকিৎসককে জানানো অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি অ্যানেস্থেসিয়া সম্পর্কে অযথা ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়।
খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিওলজি বিভাগের এ উদ্যোগ নিরাপদ অ্যানেস্থেসিয়া, উন্নত অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পরিচর্যা এবং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।