আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান * এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই
* সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সব রকম আইনি প্রক্রিয়া মানা হয়েছে
সম্প্রতি মাদক আস্তানায় অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক প্রতি মন্ত্রী ইশরাক হোসেনের অভিযানের বিষয়ে সরকারের মন্তব্য স্পষ্ট করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘প্রধান মন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা- কেউ যদি মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থি কোনো কাজ করে, সে বিষয়ে তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন, এরই মধ্যে তিনি সেটা প্রমাণ করেছেন। আমরা কেউই আইনের উর্ধ্বে নই, এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’ সোমবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের (পিটিআই) নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই
আইন মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণ করতে আইনগত কোন বাধা নেই। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা এখনো আমরা নেইনি। আইনি প্রক্রিয়া যতক্ষণ পর্যন্ত সমাধান না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আপনারা আশা রাখতে পারেন, আমরা ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে হাটব। নির্বাচনে আমাদের কাজের মাধ্যমে আপনারা সেটার প্রমাণ পাবেন।’
সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সব রকম আইনি প্রক্রিয়া মানা হয়েছে
সম্প্রতি অনিয়মের মাধ্যমে সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী নেতা-কর্মীদের অভিযোগের বিষয়ে আইন মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের রাজনীতি তো করতে হবে, এ জন্য একটা উপাদান দরকার। বিরোধী দলের রাজনীতি শুধু বিরোধিতার জন্যই করা। যা কিছুই করতে যান, এর একটা বিরোধিতা করতেই হবে, আর তারা তাদের রাজনীতি করছে। এটা তাদের বক্তব্য, আমরা সেটা বিশ্বাস করি না। সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সব রকম আইনি প্রক্রিয়া মেনে কাজ করা হয়েছে। এখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
এ সময় প্রধান মন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে ঝিনাইদহ ২৫০ বেড জেনারেল হসপিটালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন আইন মন্ত্রী। সে সময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।