ছবি-যাযাদি ফেসবুকের এক স্ট্যাটাস কে কেন্দ্র করে নেট দুনিয়া যখন তোলপাড় ঠিক তখনই বিভিন্নভাবে অনুসন্ধান করে বেরিয়ে আসে এক অন্যরকম সত্য।
জয়পুরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৭ মাসের মধ্যেই এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সুবাতাস বইয়ে দিয়েছেন মাসুদ রানা প্রধান। তাঁর সততা, বিচক্ষণ নেতৃত্ব ও নিবেদিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অতি অল্প সময়েই তিনি জয়পুরহাটের সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসেবায় একের পর এক কল্যাণমুখী পদক্ষেপে বদলে যাচ্ছে পুরো জেলা।
মাসুদ রানা প্রধানের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন স্থানে নতুন রাস্তাঘাট ও ড্রেন নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সুগম করার পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও শ্মশানের উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এ ছাড়া জয়পুরহাটে ঐতিহ্যবাহী শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানের সুরক্ষায় নতুন গেট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন।
শিক্ষার প্রসারে জেলা পরিষদের ভূমিকা এখন দৃশ্যমান। চিকিৎসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি, পড়াশোনা ও উপবৃত্তির জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী পেয়েছেন তহবিলের সহায়তামূলক বই। সম্প্রতি এক বিশেষ আয়োজনে কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি এবং ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সম্মাননা হিসেবে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান কর্মসূচি গুলো অব্যাহত রয়েছে।
বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিনামূল্যে ভ্যানগাড়ি বিতরণ করেছেন।
গ্রামীন নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে গরু ও সেলাই মেশিন বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন ।
রবিদাস সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও পেশাগত সহযোগিতায় তাদের মাঝে টুলবক্স বিতরণ করেছেন।
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের সহযোগিতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান। জয়পুরহাটে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ করতে ইজিবাইক প্রদান করেছেন । এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে ক্ষেতলালে ডায়াবেটিক সমিতির নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে, যা স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সুশীল সমাজ।
সব মিলিয়ে, বিগত ৭ মাসে জয়পুরহাট জেলা পরিষদকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান। জনকল্যাণমুখী এসব কাজ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সুফলভোগী সাধারণ মানুষ।
এ ব্যাপারে মাসুদ রানা প্রধান বলেন, কারো সমালোচনায় আমার উন্নয়নমূলক কোন কর্মসূচি থেমে থাকবে না বরং সমালোচনা আমার কাজের গতিকে আরও বৃদ্ধি করবে।
আমি যা কিছু করেছি সব দৃশ্যমান এর সুফল জয়পুরহাট জেলা বাসি পাচ্ছে এবং আগামীতে আরো পাবেন ।