প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ পিএম
ছবি-যাযাদি নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে বাস ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের বাবা ও শিশুকন্যাসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের এক ব্যাংক কর্মকর্তা ও তাঁর শিশুকন্যা।
বড়াইগ্রাম প্রশাসন, থানা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় মির্জাগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা আরপি পরিবহন চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী যাত্রীবাহী একটি নৈশকোচ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে পৌঁছালে পাবনার দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫০) পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের মৃত আজাহার আলী হাওলাদারের পুত্র এবং ব্রাক ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহত তার ৮ বছরের শিশুকন্যা আশফিয়া। এছাড়া শহিদুল ইসলামের ব্যাংক কর্মকর্তা স্ত্রী ও এক পুত্র গুরুতর আহত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাটোর ও রাজশাহী পৃথক দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুজ্জামান জানান, মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়টি জেনেছি। খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। পরবর্তী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।