প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৩.১০.২০২৬ ৮:১০ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
দ্রুততম মানব ইমরানুর ও মানবী শিরিনকোকো ১৮তম জাতীয় সামার এথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় গতির লড়াইয়ে পুরুষ ও নারী— দুই বিভাগেই সেরা হয়েছেন বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর এথলেটরা। আবারো দেশের দ্রুততম মানব-মানবীর খেতাব জিতেছেন ইমরানুর রহমান ও শিরিন আক্তার। শুক্রবার জাতীয় স্টেডিয়ামে ১০০ মিটার দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হন তারা।
পুরুষদের ১০০ মিটার দৌড় ১০.৫৩ সেকেন্ডে শেষ করে প্রথম হন ইমরানুর রহমান। ১০.৬৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন নৌ বাহিনীরই মোহাম্মদ ইসমাইল। ১০.৭৩ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন সেনা বাহিনীর তারেক রহমান।
নারীদের ১০০ মিটারে ১২.০৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেন শিরিন আক্তার। দ্বিতীয় হয়েছেন সেনা বাহিনীর শরীফা খাতুন, সময় ১২.২৩ সেকেন্ড। ১২.৩৩ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে তৃতীয় হন নৌ বাহিনীর সুমাইয়া দেওয়ান।
জয়ের পর নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব সতীর্থ, কোচ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতাকে দিয়েছেন শিরিন। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর অশেষ রহমতে প্রথম স্থান অধিকার করতে পেরে অসাধারণ লাগছে।’ তার মতে, কোচ আবদুল্লাহ হেল কাফী, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বিকেএসপি, এথলেটিক্স ফেডারেশন ও অলিম্পিক এসোসিয়েশনসহ অনেকের সম্মিলিত সহযোগিতাই এই সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে। এই পারফরম্যান্স সাফ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতেও অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করছেন তিনি।
এদিকে, এথলেটদের সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়ার কথা জানিয়েছেন ইমরানুর রহমান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এথলেটদের থাকা, খাওয়া, পুষ্টি ও যাতায়াতের ব্যয় নিশ্চিত করতে এবার নতুন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। জেলা পর্যায় থেকে আরো বেশি এথলেটকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগও বাড়ানো হচ্ছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এথলেটদের জন্য মানসম্মত আবাসন, পুষ্টিকর খাবার ও যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বাড়বে এবং নতুন প্রতিভা উঠে আসার সুযোগ তৈরি হবে।