প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৯ পিএম
ছবি-যাযাদি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেছেন, “শুধু আইন অনুষদ নয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মতো দক্ষ ও কার্যকর করে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করবে। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ২০২৫ সালের জজ হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ১৯ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আইন অনুষদের আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এছাড়াও আইন অনুষদের তিনটি বিভাগের সভাপতি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করছে। আপনারা জব কর্নারের কথা বলেছেন। আমি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর জব কর্নার-২ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা দ্বিতীয় তলার পুরোটা জব কর্নারে রূপান্তর করার পরিকল্পনা নিয়েছি।
জুডিশিয়াল সার্ভিসে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন পরিবার ও সমাজের প্রতি ন্যায়বিচারের মূল্যবোধকে ধারণ করেন। আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের সামনে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, জীবনে একজন শিক্ষার্থী যে কাঙ্ক্ষিত অবস্থান বা পেশা চেয়েছিল, সেটি অর্জন করতে না পারলেই তার জীবন থেমে যায় না। একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলাও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।