ছবি-যাযাদি ভোলায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেছেন, আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পরে প্রধানমন্ত্রীর একটা মেসেজ ছিল যে, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসী সে যে দলেরই হোক এমনিক বিএনপিরও যদি কেউ যদি হয়ে থাকে কোনো ছাড় নাই। আমাদের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্পষ্ট বার্তা এ ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে এবং এটাই সর্বদা চলমান থাকবে।
আজ বুধবার (১৬সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হল রুমে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, “ভোলার আইনশৃঙ্খলা অবনতি যেটা হয়েছে সেটাকে ঠিক করার জন্য যেসব হটস্পট আছে যেখানে ক্রাইম হয়, যেখানে হাট-বাজার আছে, সেগুলি আমরা নজরদারিতে নিয়ে আসব। সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে, এ ব্যাপারে একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বসে অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে কোথায় কোথায় লাগাতে হবে এটা খুব দ্রুত উনারা কাল থেকে পরশুদিনের মধ্যে রেডি করবেন। সে অনুযায়ী এটা আমরা লাগানোর ব্যবস্থা করব।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী অক্টোবরের ৫তারিখে আমাদের বিশ্ব বসতি দিবস আছে। ওই দিবসে আমাদের বিভিন্ন বুকলেট বের হবে। সেখানে জেলাওয়াইজ আমরা ডরমেটরি করবো, হাউজিং করবো। আবাসিক প্লট করার মতো যদি না হয়, তাহলে অ্যাপার্টমেন্ট যা করা যায়, নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের নাগরিকদের জন্য সেটা আমাদের পরিকল্পনা আছে। ইনশাআল্লাহ আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জন্য আবাসনের উল্লেখ্যযোগ্য সমস্যার সমাধান অবশ্যই আমরা করবো।
ভোলার উন্নয় নিয়ে তিনি বলেন, ভোলায় আরো গ্যাস পাওয়া গেছে, গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও ভোলার উন্নয়নের সামগ্রিকভাবে যেটা আগে করার দরকার সেটা পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করার জন্য ব্যবস্থা নিবো। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী এসকল উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিবেন। এছাড়াও ভোলার যারা সংসদ সদস্যরা আছেন তাদের সাথে আলাপ করে কি কি প্রকল্প পাইপলাইনে আছে, সেগুলিকে কীভাবে গতিশীলতা আনা যায়, কত দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ করা যায়, আমরা একসাথে কাজ করবো।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের সংসদ মো. হাফিজ ইব্রাহিম।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলম, জেলা বিজেপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তরিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনুসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।