ছবি-যাযাদিগত ১৭ বছর শুধু একটি সময়ের হিসাব নয়—এটি বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর ত্যাগ, অশ্রু, কারাবরণ আর সীমাহীন কষ্টের ইতিহাস।
শুক্রবার জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক(যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) এ আর মামুন খান তার ফেসবুক পেইজে এ কথা তুলে ধরেন।
তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো...
গত ১৭ বছর শুধু একটি সময়ের হিসাব নয়—এটি বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর ত্যাগ, অশ্রু, কারাবরণ আর সীমাহীন কষ্টের ইতিহাস।
দুঃসময়ে কত কর্মী নেতার পাশে দাঁড়িয়েছে নিজের সবকিছু ভুলে। কারাগারে নেতার মাথার নিচে নিজের বালিশটা দিয়েছে, শীতের রাতে নিজের গায়ের কম্বলটা খুলে নেতার গায়ে তুলে দিয়েছে। নিজের পরিবার বিপদে পড়বে জেনেও দল ও নেতাকে একা ছেড়ে যায়নি।
আজ সময় বদলেছে। কিন্তু আল্লাহর দোহাই লাগে—সেই মানুষগুলোকে ভুলে যাবেন না।
সুসময়ে যখন সুযোগ-সুবিধা, পদ-পদবি বা ক্ষমতার দরজা খুলে যায়, তখন শুধু আত্মীয়স্বজন কিংবা কাছের মানুষদের নয়—একবার পেছনে ফিরে সেই কর্মীদের মুখগুলোর দিকে তাকান, যারা আপনার দুঃসময়ে নিঃস্বার্থভাবে পাশে ছিল।
তাদের অনেকের চাওয়া হয়তো খুব বেশি নয়—একটু সম্মান, একটু মূল্যায়ন, আর নেতার কাছ থেকে এই স্বীকৃতি যে, “তোমাদের ত্যাগ আমি ভুলিনি।”
বিএনপির সকল নেতার কাছে আমার হৃদয়ের আবেদন—
ত্যাগী কর্মীদের আগলে রাখুন, তাদের সম্মান করুন, তাদের ন্যায্য মূল্যায়ন করুন।
কারণ কর্মীরাই দলের প্রাণ। কর্মী বাঁচলে দল বাঁচবে, কর্মী শক্তিশালী হলে সংগঠন শক্তিশালী হবে। দুঃসময়ের সাথীদের সুসময়ে ভুলে যাওয়া যেন আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি না হয়।