জাবি ভিসি ও দুই প্রোভিসির দ্বন্দের নেপথ্যে সেন্ট্রালের ভিসি নূরুল

যাযাদি রিপোর্ট

শিক্ষা

জাহাঙ্গীরনগর বাংলাদেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় যা ঢাকার অদূরে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মণ্ডিত একটি বিদ্যাপিঠ হিসেবে পরিচিত।এই জুলাই অভ্যুত্থানে জাহাঙ্গীরনগরের রয়েছে

2026-09-21T21:22:59+06:00
2026-09-21T21:22:59+06:00
সোমবার ● ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
শিক্ষা
জাবি ভিসি ও দুই প্রোভিসির দ্বন্দের নেপথ্যে সেন্ট্রালের ভিসি নূরুল
প্রশাসনিক কাজে ধীর অবস্থা
যাযাদি রিপোর্ট
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২২ পিএম  
ছবি-যাযাদি
জাহাঙ্গীরনগর বাংলাদেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় যা ঢাকার অদূরে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মণ্ডিত একটি বিদ্যাপিঠ হিসেবে পরিচিত।এই জুলাই অভ্যুত্থানে জাহাঙ্গীরনগরের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। এই ইতিহাসের পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক সচেতন শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের অবদান। অভ্যুত্থান পরবর্তী ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত এবং জুলাই আনদোলনের জাতীয়তাবাদী শিক্ষদের সামনের সারির নেতা অধ্যাপক  ড.মোহাম্মদ কামরুল আহসান। 

ড.মোহাম্মদ কামরুল আহসানের রয়েছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস। ছাত্রজীবনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যোগাযোগ ছিল কিন্তু ভিসির কাছের বন্ধু শহীদ হাবিবুর রশিদ কবির হত্যাকান্ডের শিকার হলে,প্রাণ রক্ষার্থে দীর্ঘ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আশ্রয় নিয়েছিলেন।শিক্ষা জীবন শেষ হলে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলে শিক্ষক হন। যুক্তরাজ্যে থেকে রয়েছে তার উচ্চতর ডিগ্রি ও আন্তর্জাতিক পাবলিকেশন। বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক রাজনীতি শুরু করেন। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি পদ সহ ইউট্যাবের সহ-সভাপতি পদেও অলংকৃত করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দুঃসময়ে প্রকাশ্যে সভা-সেমিনার,টকশো ও কলাম লিখতেন। অভ্যুত্থান পরবর্তী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন মব ও বিগত দুই প্রোভিসির কূটকৌশলে ধরাশায়ী হয়ে জাকসুর উপযুক্ত পরিবেশ না থাকার পরেও নির্বাচনের পথে হাটতে বাধ্য  হয়েছিল। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হল কমিটি দিলে, ভিসি কামরুল আহসান তা সমর্থন করায় জামাতের লোকজন তাকে ভৎসনা করেছিল।জাকসুতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলের সমন্বয় করতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও সংবাদ মাধ্যমে হয়েছিলেন বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। জাকসুকে কেন্দ্র করে জামাত ও তার জোট সঙ্গীরা ভিসি কামরুল আহসানকে ভার্চুয়াল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি গেটে মব সৃষ্টি করে আক্রমণ করেছিল। দেশে ফেরার পরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে হয়েছেন ট্রলের শিকার। এত কিছুর পরেও তিনি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা থেকে সরে আসেন নি।

সুত্রমতে, ভিসি ও দুই প্রোভিসির দ্বন্দ্বের আসল কুশীলব , সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক নূরুল ইসলাম । তিনি জাবি ভিসি হতে না পেরে, একের পরে এক কূটকৌশল করে যাচ্ছেন। তারেক রহমানের দেশে ফেরার পরে, নূরুল ইসলাম গড়ে তোলেন জাবি কেন্দ্রীক তার নিজেস্ব সিন্ডিকেট; যার মূলে রয়েছে ঢাবির শিক্ষক নেতা অধ্যাপক মোরশেদ খান ও ভিসি নুরুল ইসলাম।নূরুল ইসলামের বিষয়ে খোঁজ নিলে জানা যায়, বাড়ী ফরিদপুরের ভাঙ্গায়, অতি দরিদ্র ঘরের মোটামুটি মেধাবী ছেলে। বাবা দারিদ্রের কারণে ভাঙ্গা হতে রাজশাহী যান। উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল বিভাগে ভর্তি হন। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, “সেন্ট্রাল ভিসি নুরুল বাইরে ছাত্রদল ক্যাডার হলেও ছাত্রলীগের সাথে ছিল নিবির যোগাযোগ। তাকে বেশি বেশি ছাত্রদলের অভ্যন্তরিন কোন্দলে হকিস্টিক নিয়ে মারামারি করতে দেখা যেত। কিন্ত অবাক বিষয় কট্টর আওয়ামীপন্থী প্রফেসর মওদুদ এলাহীর বদৌলতে তার পরীক্ষার ফলাফল প্রথম শ্রেণী হয়। এবার আরো বিস্ময়কর বিষয় হলো  ছাত্রলীগ নেতা ও তার এলাকার সাবেক মন্ত্রী এনামুল হক শামীম চিঠি দিয়ে তাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক বানায়। 

চিঠিতে তাকে তার ছোট ভাই উল্লেখ করেন শামীম। তার নোংরা স্বভাবের কারণে রাজশাহীতে টিকতে পারছিল না।” ঐ জাতীয়তাবাদী শিক্ষক আরোও বলেন যে নূরুল তাকে বলেন, “ধরলাম দুই প্রভাবশালী জামাতী শিক্ষক প্রফেসর আবদুর রব ও প্রফেসর আল আমীন মোহাম্মদকে। বললাম স্যার! বিএনপির সব বলদ! জামাত হল পারফেক্ট!” ওনারা দুজন ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোলের নিয়োগ বোর্ডে। ওনারা তার তোষামোদীতে ভুলে তাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল বিভাগে নিয়ে যান। সেখানেও সে চরম বিশৃংখলা করে। সিনিয়র প্রফেসর ও গবেষক ড.শহীদুল ইসলামের গায়েও নাকি হাত তোলার অভিযোগ আছে এবং সে নিজেও আস্ফালন করে বলে বেড়িয়েছে “আমি ওকে থাপ্পড় দিয়েছি।” চবির ভূগোল বিভাগের সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করে এসবের সত্যতা পাওয়া গেছে।আরো জানা গেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন(১৯৯৮-২০০০)সাল পর্যন্ত। এই প্রভাব খাটিয়ে বিএনপি পন্থি শিক্ষকদের নাজেহাল করতেন। 

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের ঐ নেতা আরো উল্লেখ করেন যে নুরুল ইসলাম বলেন, “ বিএনপির বলদদের ধরেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা” এবং পরবর্তীতে এসে হাওয়া বুঝে জামাতকে গালিগালাজ শুরু করে। জাবিতে এসে নুরুল ভিসি কামরুল আহসানের আস্থাভাজন হোন। ভিসি ফারজানার সময় একটি  গোয়েন্দা রিপোর্টে জামাত সম্পৃক্ততার অভিযোগ আসে দুইজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে,তাদের মধো ভিসি নুরুল একজন। ড. কামরুল আহসান ভিসি হলে সুযোগ বুঝে, নুরুল ইসলাম তার পছন্দের লোক ড. সালেহ আহমেদকে সিন্ডিকেট সদস্য ও ড. রাশেদুল ইসলামকে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগের ব্যবস্থা করেন। বিভিন্ন স্বার্থকেন্দ্রিক বোঝাপোড়ায় নুরুল ইসলাম সাথে তাদের দূরত্ব সৃষ্টি হলে তাদের গুপ্ত ট্যাগিং দেন। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন করে চরম অশান্তি তৈরী করতে থাকেন। পূর্ব থেকে জামাতের সাথে পরিচয় থাকায়, ইউনুস সরকারের জামাতি কানেকশনকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি হন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি থাকা অবস্থায় সিটি কলেজের কিছু অনিয়মে নূরুল ইসলামের সম্পৃক্ততার কথা শুনা যায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কাউকেই চাকরির সুযোগ দেন নাই বরং বাহিরের লোকজনকে দিয়েছেন। ২৪ এর দিকে অল্প সময়ের জন্য এনটিএফ এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন নূরুল ইসলাম। নুরুল ইসলাম অন্য শিক্ষকদের কথায় কথায়, তারেক রহমানের ভয় দেখান। ছাত্রদল ও বগুড়ার লোক হওয়ার পরেও অধ্যাপক আব্দুর রবকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তার উদাহরণ দেন। নূরুল ইসলাম তার বিভাগ থেকে একাধিকবার বিদেশ যায় উচ্চ শিক্ষা ও প্রজেক্টের জন্য। স্বপরিবারে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভিসি নুরুল ইসলাম এখন কানাডায় সেটেল।

১২ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচন হলে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি পদে পরিবর্তন আসে। নুরুল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রোভিসি শিক্ষা পদে আসেন অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম ও প্রোভিসি প্রশাসন পদে আসেন অধ্যাপক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।এই দুজন প্রোভিসি নুরুল ইসলামের খুবই পছন্দের বলে পরিচিত। তাদের নিয়ে অতীতে অনেক বির্তক থাকলেও ত্যাগী শিক্ষক বৃন্দকে বাদ দিয়ে নুরুল  সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ পান। তারা এসেই সাবেক ট্রেজারার আব্দুর রব নিশতারকে ঐ নুরুল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পদচ্যুত করেন। আব্দুর রবের বিরুদ্ধে গুপ্ততার অভিযোগ আনেন,যা অসত্য প্রমাণিত হয়েছে। 

খোজ নিয়ে জানা গেছে, আব্দুর রবের গ্রামের বাসা বগুড়ার গাবতলিতে এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি পদেও ছিলেন। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের নেতা ছিলেন। দুঃসময়ে যখন কেউ প্রকাশ্যে দলীয় শিক্ষক পরিচয় দিতে ভয় পেত তখনও তিনি দলের পরিচয়ে জাতীয়তাবাদী ফোরামের ব্যানারে প্রোগ্রাম করেছেন। জুলাই আন্দোলনের পুরোটা সময় রাজপথে ছিলেন। জাতীয় নির্বাচনে বগুড়ায় নির্বাচনি প্রচারনার কাজও করেছেন। তিনি বগুড়া জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির অন্যতম উপদেষ্টা এবং জেলার অসহায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্য কাজ করেন।

সুত্রমতে, দুই প্রোভিসির রয়েছে কলঙ্কিত অতীত ইতিহাস। কেউ কারো চেয়ে অপকর্মে কম না বরং একজন আরেকজনকে অপকর্মে পাল্লা দিয়ে থাকে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় শামসুল আলম সেলিম রাজনৈতিক জীবনে বহুরূপী চরিত্রের অধিকারী। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের ঐ নেতা বলেন, ছাত্রজীবনে ছিলেন আলবিরুনী হলের শিবিরের সভাপতি।এরশাদের ছাত্রসমাজের রাজনীতিতেও জড়িত ছিলেন। ফারজানা ইসলামের সময় আঁতাত করে আওয়ামীলীগের সাথে চলেছেন, বিবৃতি দিয়েছেন, মেয়ের চাকরি দিয়েছেন এবং স্ত্রীকে মহিলা ক্লাবের সদস্য করেছেন। নুরুল ইসলামের সহায়তায় হয়েছেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি। প্রথা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বা প্রোভিসি হলে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের পদে থাকা যায় না। কিন্তু নুরুলের পরামর্শে শামসুল আলম সেলিম ফোরামের সভাপতি পদ দখল করে আছেন।

প্রোভিসি প্রশাসন পদে আসেন মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,যিনি ভিসি ফারজানার গাড়িকে বডিগার্ডের মত নিয়ে আসা যাওয়া করতেন।বিনিময়ে পেয়েছেন ভিসি ফারজানার কাছে আর্থিক সুবিধা। ছাত্রজীবন ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িত থাকলেও তার এরূপ পল্টিতে অনেকেই বিশ্চিত হয়েছেন। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টের জমি দখল,জাকসুতে নির্বাচনের অর্থ  আত্মসাৎ, জাকসু ভিপি জিতুকে শেল্টার ( যার  বর্তমানে ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রমাণ মিলে), গুপ্ত সংগঠনকে সুসংগঠিত করা বিভিন্ন আপত্তিকর  কাজ করে। জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের ঐ নেতা বলেন নজরুল হলে নূরুলের ক্যাডার। নূরুল যা পছন্দ করে সে তাই করে। নূরুল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নজরুল ইসলামও হয়েছেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক।ফোরামের পদ টি অবৈধভাবে দখল করে আছে।

দুই প্রোভিসি কূটকৌশলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ধীর অবস্থা তৈরি করেছেন। সরজমিন তদন্তে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসে লোকবল সংকট থাকলেও তারা এবিষয়ে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেন না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান না করে, বাহিরে গিয়ে তদবিরে ব্যস্ত থাকেন। বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে থাকেন। নিয়োগ বানিজ্য করার পথে যেন ভিসি যেতে বাধ্য হন সেজন্য বিতর্কিত কাজে ভিসি কামরুল ইসলামকে বাধ্য করেন। অধিকাংশ সময় সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভিসি নুরুল ইসলাম সাথে আড্ডায় মেতে উঠেন।সচিবালয়ে আড্ডায় মেতে থাকেন।

নূরুল সিন্ডিকেটের কারণে সালেহ আহমেদ পদত্যাগ করলে, শূন্য পদের জন্য নূরুল ইসলাম তার পছন্দের লোক ভূগোল বিভাগের শিক্ষক নাহরিন ইসলামকে বসাতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েন। নাহরিন ইসলাম এক সময় ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও কর্মজীবনে প্রবাসে থাকেন এবং নাগরিকত্ব নেন। জুলাই অভ্যুত্থানের অনেক পরে তাকে টিভি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় হতে দেখা যায়। অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক জামালউদ্দিন এই শূন্য পদের বিপরীতে প্রতিযোগিতা করছেন। তিনিও ছাত্রদলের রাজনীতি করেছেন,জাকসুর নেতা ছিলেন,সিনেট সদস্য ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের সময় জীবন বাজি রেখে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন। কিন্তু ভিসি নূরুল ইসলামের অপছন্দ হওয়ায় জামালউদ্দিনকে বাদ দিয়ে নাহরিনকে আনার জোর তদবির করছে  নূরুল সিন্ডিকেট। নূরুল সিন্ডিকেটের কারণে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের রাজনৈতিক সংকটের মাঝে নিমজ্জিত। কিছু প্রশ্ন থেকেই যায়,নূরুল সিন্ডিকেটের থাবা থেকে মুক্ত হয়ে জাবি প্রশাসন কি পারবে গতিশীল হতে?এখন দেখার পালা জনাব তারেক রহমান এই নূরুল সিন্ডিকেটের কাছে পরাজিত হবেন,না রাজনীতির মাঠে থাকা শিক্ষক জামালউদ্দিন কে মূল্যায়ন করবেন।
  বিষয়:   জাবি  ভিসি নূরুল 


শিক্ষা- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত