প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০১ পিএম
ছবি-যাযাদি কেউ জেলা প্রশাসক, কেউ পুলিশ সুপার। কেউ যুগ্ম সচিব, কেউ অতিরিক্ত ডিআইজি। কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, আবার কেউ করপোরেট জগতে গড়েছেন শক্ত অবস্থান। কেউ হয়েছেন শিল্পোদ্যোক্তা।
পেশা ও রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও পুরোনো বন্ধুত্বে তাঁরা একসঙ্গে—গানের তালে নেচেছেন, ভাগ করে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের স্মৃতি।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস ফোরাম—ডাফের নির্বাহী কমিটির অভিষেক ও পরিচিতি অনুষ্ঠান হয়েছে রাজধানীর বনানী ক্লাবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত সংগঠন—ঢাকা ইউনিভার্সিটি ফ্রেন্ডস ফোরাম, ডাফ।
রাজধানীর বনানী ক্লাবে সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির অভিষেক ও পরিচিতি অনুষ্ঠানে মিলিত হন সদস্যরা। তাঁদের কেউ কর্মরত আছেন বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার হিসেবে। কেউ পদোন্নতি পেয়ে হয়েছেন যুগ্ম সচিব বা অতিরিক্ত ডিআইজি। কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, কেউ করপোরেট পেশাজীবী। আবার কেউ গড়ে তুলেছেন নিজের শিল্পকারখানা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপর পরিবেশিত হয় জাতীয় সংগীত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের পুরোনো ছবি দেখে স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন বন্ধুরা।
বিরতির পর শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। এতে তুলে ধরা হয় সংগঠনের নীতিমালা, আর্থিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। উন্মুক্ত আলোচনায় সদস্যরা কথা বলেন ডাফের কার্যক্রম ও পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়ে।
অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল গান, আবৃত্তি ও নাচ। রাজনীতির মাঠে কেউ কেউ একে অপরের প্রতিপক্ষ হলেও, এখানে তাঁরা গানের তালে নেচেছেন একসঙ্গে—বন্ধুত্ব আর পুরোনো স্মৃতির টানে।
নৈশভোজের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ডাফের নির্বাহী কমিটির অভিষেক ও পরিচিতি অনুষ্ঠান।
পেশা, ব্যস্ততা আর মতপার্থক্যের বাইরে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুত্বের বন্ধনে আবারও এক হলেন ডাফের সদস্যরা। তাঁদের এই আয়োজন হয়ে থাকল পুরোনো সম্পর্ককে নতুন করে উদ্যাপনের উপলক্ষ।