ছবি-যাযাদি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকে স্বৈরাচার এবং গুপ্ত আবার এক হয়েছে। তারা মিলেমিশে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।
যারা অরাজকতা তৈরি করে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা পরিষদ হল রুমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে মহাদেবপুর ইউনিয়নের ফলসাটিয়া ব্লকের ১১ শত ৩৬ জন কৃষকে মাঝে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ বিতরণ ও উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা কথা রেখেছি। নির্বাচনের আগে আমরা বলেছিলাম কৃষক কার্ড দেব, ফ্যামিলি কার্ড দেব।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কাজ শুরু করেছিলেন, যাতে মানুষ উপকৃত হয়। বিএনপির রাজনীতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি। আমরা বন্ধ কলকারখানাগুলো নতুন করে চালু করতে চাই। এতে মানুষ উপকৃত হবে।
দেশে অরাজকতা তৈরি হলে জনকল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেয়াল করে দেখবেন, আমরা জনকল্যাণমুখী কাজগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে চাই।
যারা দেশ থেকে পালিয়ে গেছে এবং যারা ‘এক দফা’ দফা করছে, তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের কি খাল কাটা কর্মসূচি আছে? তাদের কি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আছে? কৃষক কার্ড কর্মসূচি আছে? মানুষের জন্য তাদের রাজনীতি কই?
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি দল নির্বাচনের আগে বেহেশতের টিকিট বিক্রির কথা বলতো। যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা তারা কী করে দেবে? তাদের মুনাফেকি প্রকাশ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পর গুপ্ত বাহিনী বলেছিল, তারা যদি ফিরে আসে অসুবিধা নেই। বলবেই তো, তারা তো স্বৈরাচারের সঙ্গেই রাজনীতি করতো।
শিবালয়ে হলরুমে উক্ত কৃষক কার্ড বিতরণী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেছেন, নির্বাচনের পূর্বে বিপ্লবী জনাব তারেক রহমান কথা দিয়েছিলেন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিবেন। সেই কথা ছয় মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হলো। বিপ্লবী কখনো মিথ্যা কথা বলে না। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনীষা রানী কর্মকার, জেলা কৃষি পরিচালক মো:শাজাহান সিরাজ, শিবালয় থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আমিনুর রহমান,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার ভৌমিক, জেলা বিএনপি'র বাবু সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি রহমত আলী লাভলু বেপারী, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক হাজী মিজানুর রহমান লিটন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো নাসির উদ্দীন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি, জেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক আক্তার হোসেন,জেলা যুবদলের সদস্য মোসলেম উদ্দিন,উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো হোসেন আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, জেলা যুবদলের নেতা নাসির উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জিহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিব খান অয়ন, জেলা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো : অনিক হাসান প্রমুখ।