মাগুরায় ৫০২ প্রাইমারি স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক

এস আর এ হান্নান, মহম্মদপুর (মাগুরা)

ন্যাশনাল

মাগুরা জেলার সরকারি প্রাইমারি স্কুলগুলোতে স্থায়ী বা পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মাগুরা সদরসহ জেলার চার উপজেলায় মোট

2026-10-12T00:00:00+06:00
2026-10-11T22:21:17+06:00
সোমবার ● ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩
শিরোনাম:
ন্যাশনাল
মাগুরায় ৫০২ প্রাইমারি স্কুলে নেই প্রধান শিক্ষক
এস আর এ হান্নান, মহম্মদপুর (মাগুরা)
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  আপডেট: ১১.১০.২০২৬ ১০:২১ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
সংগৃহীত ছবি

মাগুরা জেলার সরকারি প্রাইমারি স্কুলগুলোতে স্থায়ী বা পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মাগুরা সদরসহ জেলার চার উপজেলায় মোট ৫০২টি প্রাইমারি স্কুলের মধ্যে ৩৬০টিতেই নেই পূর্ণাঙ্গা কোনো প্রধান শিক্ষক। অর্থাৎ জেলার প্রায় ৭১ শতাংশেরও বেশি স্কুল চলছে ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দিয়ে। ফলে খুড়িয়ে চলছে স্কুলগুলোর প্রশাসনিক এবং শিক্ষা কার্যক্রম। এতে একদিকে যেমন বিঘ্ন ঘটছে দৈনন্দিন পাঠদানে, অন্যদিকে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মাগুরা সদরসহ চার উপজেলায় ১৪২টি স্কুলে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক কর্মরত আছেন। বাকি ৩৬০টি স্কুলের মধ্যে ২৭১টিতে ভারপ্রাপ্ত (প্রধানি শিক্ষক শূন্য) এবং ৮৯টিতে চলতি দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা প্রশাসনিক কাজ সামলাচ্ছেন। এর মধ্যে চলতি দায়িত্বে থাকা ৮৯ জন শিক্ষক পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট দফতরের তথ্য বলছে, মাগুরা সদর উপজেলার ১৮২টি সরকারি প্রাইমারি স্কুলের মধ্যে ৮৯টিতে, শ্রীপুর উপজেলার ৮৪টির মধ্যে ৪৬টিতে, মহম্মদপুর উপজেলার ১৩৪টির মধ্যে ৭৯টিতে এবং শালিখা উপজেলার ১০২টির মধ্যে ৫৭টিতে প্রধান শিক্ষক নেই।

স্থানীয়দের মতে, স্কুলের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালনা ও পাঠদানের মূলধারক হলেন প্রধান শিক্ষক। কিন্তু স্থায়ী বা পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষক না থাকায় জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের একাধারে দাফতরিক ও প্রশাসনিক কাজ এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান; উভয় দায়িত্বই পালন করতে হচ্ছে। স্কুল পরিচালনা, সরকারি রিপোর্ট তৈরি, অনলাইন তথ্য হালনাগাদ করা ও দাফতরিক কাজে শিক্ষকদের প্রায়ই ছুটে যেতে হয় উপজেলা শিক্ষা অফিসে। ফলে নির্ধারিত ক্লাস নেয়া অনেক সময় সম্ভব হয় না। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা মূলত পদোন্নতির প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছেন। পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এই সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।’
ন্যাশনাল- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি, লাভ রোড, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত