বাকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবসে ৪ হাজার ডিম বিতরণ

বাকৃবি প্রতিনিধি

শিক্ষা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪ হাজার ডিম বিতরণ করা হয়েছে।আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) পশুপালন

2026-10-12T16:11:29+06:00
2026-10-12T16:11:29+06:00
সোমবার ● ১২ অক্টোবর ২০২৬
২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
শিক্ষা
বাকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবসে ৪ হাজার ডিম বিতরণ
বাকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১১ পিএম  
ছবি-যাযাদি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪ হাজার ডিম বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) পশুপালন অনুষদের পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগ ও ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার (ডব্লিউপিএসএ-বিবি) যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

ডিম বিতরণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। পরে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ‘প্রোটিন যা শক্তি জোগায় ও সুরক্ষা দেয়’ প্রতিপাদ্যে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ডব্লিউপিএসএ-বাংলাদেশ শাখার সহসভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম খান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. বাপন দে।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক বাপন দে বলেন, দেশে ২০১৪ সাল থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ডিমের উৎপাদন বেড়ে ৫০৯ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। তবে দৈনিক চাহিদা প্রায় ৬ কোটি ডিমের বিপরীতে উৎপাদন এখনো পর্যাপ্ত নয়। ডিম উচ্চমানের প্রোটিন, প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড, কোলিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সহজলভ্য উৎস। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, মস্তিষ্কের বিকাশ, দৃষ্টিশক্তি রক্ষা এবং হাড় ও দাঁতের সুস্থতায় ভূমিকা রাখে। কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকে ডিমের কুসুম এড়িয়ে চললেও এতে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তাই ব্যক্তির স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও খাদ্যাভ্যাস বিবেচনায় ডিমের সাদা অংশের পাশাপাশি কুসুমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কেও সচেতনতা বাড়াতে হবে।

ডব্লিউপিএসএ-বাংলাদেশ শাখার সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী বলেন, ডিমের প্রোটিনের গুণগত মান ভালো এবং তুলনামূলক কম খরচে তা পাওয়া যায়। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় খামারিদের প্রতি ডিমে ১০ টাকার বেশি ব্যয় হচ্ছে। এ খাতের উৎপাদকদের সহায়তায় সরকারের ভর্তুকি দেওয়া প্রয়োজন।

প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. মো. রকিবুল ইসলাম খান বলেন, ডিমের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে খাবার তৈরিতে বৈচিত্র্য আনতে হবে। পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে মধ্যবর্তী পর্যায়ের খরচ কমানো গেলে ডিমের দামও কমানো সম্ভব।
  বিষয়:   বাকৃবি  ডিম দিবস  বিশ্ব 


শিক্ষা- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত