শত বছরেও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পেকুয়ার টেকপাড়া-বিলহাসুরার মানুষ

পেকুয়া প্রতিনিধি

সারাদেশ

কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার পূর্ব গোঁয়াখালী এলাকার টেকপাড়া-বিলহাসুরা সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ এখনো কাচা। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির একাংশে

2026-10-14T16:35:50+06:00
2026-10-14T16:35:50+06:00
বুধবার ● ১৪ অক্টোবর ২০২৬
২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
শত বছরেও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পেকুয়ার টেকপাড়া-বিলহাসুরার মানুষ
পেকুয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম  
ছবি: যাযাদি
কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার পূর্ব গোঁয়াখালী এলাকার টেকপাড়া-বিলহাসুরা সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ এখনো কাচা। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির একাংশে ইট বিছানো থাকলেও বাকি অংশের বেহাল দশায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষায় কাদাপানি ও জলাবদ্ধতা, আর শুষ্ক মৌসুমে খানাখন্দের কারণে শিক্ষার্থী, রোগী ও বয়স্কদের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ে। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানালেও স্থায়ী সমাধান না পাওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় সড়কটি ছিল ছোট একটি আইল। পরে তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন মাটি দিয়ে সড়কটি সংস্কার ও প্রশস্ত করেন। সময়ের সঙ্গে এলাকায় শত শত বসতবাড়ি গড়ে উঠলেও সড়কটির পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন হয়নি।

খলিলুর রহমান জামে মসজিদসংলগ্ন কালভার্ট থেকে বাবুলের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার অংশ এখনো কাচা ও চলাচলের অনুপযোগী। স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে হাটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। জরুরি রোগীকে হাসপাতালে নিতে অনেক সময় দোলনায় করে নিয়ে যেতে হয়। কোনো কোনো পরিস্থিতিতে নৌকাও চলাচলের ভরসা হয়ে ওঠে।

এলাকার শতবর্ষী বাসিন্দা ফকির মুহাম্মদ বলেন, ‘আগে এখানে কয়েকটি পরিবার ছিল, এখন শত শত বসতবাড়ি হয়েছে। ছোট্ট আইলটি প্রশস্ত হলেও এখনো পাকা হয়নি। জীবনের শেষ সময়ে এসে অন্তত সড়কটি পাকা হতে দেখতে চাই।’

কলেজছাত্রী জিসান বলেন, সড়কের বেশির ভাগ অংশে ইট বিছানো থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নকাজ হচ্ছে না। বর্ষায় চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তিনি দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফ মিয়া ও বাদশাহ বলেন, বর্ষায় সড়কে পানি জমে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মানিক বলেন, পরিষদের পক্ষ থেকে ১৪টি সড়কের উন্নয়নের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বাবুলের বাড়ি থেকে খলিলুর রহমান জামে মসজিদসংলগ্ন কালভার্ট পর্যন্ত সড়কটি তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে। দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল হোছাইন বলেন, আমি নতুন এসেছি। সড়কটির অবস্থান এখনো চিনতে পারছি না। খোঁজ নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে সড়কটি পরিদর্শন করব।
  বিষয়:   পেকুয়া  কক্সবাজার  সড়কের দুর্ভোগ  সড়ক পাকাকরণ 


সারাদেশ- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত