প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ১৫.১০.২০২৬ ৬:৩৭ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
যশোরে বেড়েছে সব ধরনের ফলের দাম - যাযাদি অস্থির বাজারে উচ্চ মূল্যের কারণে নাগালের বাইরে যেতে বসেছে সব ধরনের বিদেশি ফল। ছোট আকারের আপেল ছাড়া এখন বাজারে ৪শ’ টাকার নিচে কোনো বিদেশি ফল মিলছে না। বড় আপেল, বেদানা, আঙুর, কমলা, মাল্টা সব ফলই ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলের বাজারের এই অস্থিরতার পেছনে উচ্চ হারের আমদানি শুল্কের কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা, কাস্টমস হয়রানি, ডালারের দাম, পরিবহণ ব্যয় বৃদ্ধিকেও দায়ী করছেন তারা। তবে এর পাশাপাশি ফল আমদানিকারকদের সিন্ডিকেটকেও বাজার অস্থিরতার জন্য দায়ী করেছেন কিছু ব্যবসায়ী।
যশোরের ফলের পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি চায়না ও গালা আপেল ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা কেজি, কমলা লেবু আকার ভেদে ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা, বেদানা সাড়ে ৪শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকা, মাল্টা ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা, আঙুর ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধুমাত্র ছোট আকারের কাশ্মিরী আপেল ৩শ’ থেকে সাড়ে ৩শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে কম দামি বস্তা খেজুর আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ টাকা, মরিয়ম খেজুর এক হাজার থেকে ১৩শ’ টাকা, দাবাস খেজুর ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
যশোর ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম লিটন জানান, ‘পুষ্টির চাহিদা মেটানোর অন্যতম উপকরণ ফল। অথচ সরকারের ট্যাক্সের তালিকায় এটি বিলাস পণ্য। তাই আমদানিকৃত বিদেশি ফলে বিভিন্ন স্তরে ১২১ শতাংশ পর্যন্ত কর দিতে হয়। ফলে যে ফল আড়াইশ’ টাকায় কেনা হয় তার জন্য সরকাকেই ৩শ’ টাকা ট্যাক্স দিতে হয়।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান বলেন, তারা নিয়মিত ফল বাজার তদারকি করছেন। মণিহার এলাকার পাইকারি বাজারসহ বিভিন্ন ফলের দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। মূল্য তালিকা না থাকায় জরিমানাও করা হয়েছে।