প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ এএম আপডেট: ২৩.১০.২০২৬ ৪:৪৫ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
গাছে ঝুলে আছে আনারকলি ফল —যাযাদি মেহেরপুরের মাটিতে বিদেশি ফল প্যাশন ফ্রুট বা আনারকলি চাষে সফলতা দেখিয়েছেন মিঠু নামের এক উদ্যোক্তা। উপযুক্ত মাটি, অনুকুল আবহাওয়ায় বাগান জুড়ে দেখা মিলছে ফলের সমাহার। পুষ্টিগুণে ভরা ও সুস্বাদু হওয়ায় আনারকলি বিক্রি হচ্ছে ভালো দামে। এক বার গাছ লাগিয়ে পাচ বছর ফল পাওয়ায় খরচের চারগুণ লাভের প্রত্যাশা এই উদ্যোক্তার। বাজারে ব্যপক চাহিদা থাকায় আনারকলি চাষের আগ্রহ বাড়ছে অন্যান্য কৃষকদেরও।
মেহেরপুর সদর উপজেলার গভিপুর গ্রামের যুবক মিঠু ইউটিউব দেখে পরিচিত হন দক্ষিণ আমেরিকার প্যাশন ফ্রুট বা আনারকলির সাথে। চাষ পদ্ধতি ও চারার খোজ পেয়ে দেড় বিঘা জমিতে মাচা পদ্ধতিতে লাগিয়েছেন আনারকলি। চারা রোপণের চার মাসেই পান ডগায় ডগায় ফুলের দেখা। সম্পুর্ণ জৈব সার প্রয়োগ ও কীটনাশক ছাড়াই ফেরোমন ট্যাফ ব্যবহার করেই আনারকলির চাষ করেছেন মিঠু হোসেন। তার বাগানে সবুজ পাতার ফাকে ফাকে থোকায় থোকায় ঝুলছে সবুজ ও গোলাপি রঙের আনারকলি ফল। মেহেরপুর জেলায় এই প্রথম বিদেশী জাতের এই ফল চাষের সফলতায় জেলার অনেক চাষিকে উৎসায়িত করেছে এই চাষে।
উদ্যোক্ত মিঠু হোসেন যায়যায়দিনকে জানান, বাগান থেকেই বিক্রি শুরু হয়েছে পুষ্টিতে ভরা সুস্বাদু এই ফল। প্রতি কেজি ফল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। স্থানীয় বাজারে চাহিদা পূরণ করে বাইরের বাজারে বিক্রির প্রত্যাশা তার।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক কাজি শাহনেওয়াজ যায়যায়দিনকে জানান, উদ্যোক্তা মিঠুর আনারকলি চাষে সফলতা দেখে সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগ্রহীদেরও আনারকলিসহ বিভিন্ন ফল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে নানা পরামর্শ ও সহায়তা দেয়া হচ্ছে।