‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম বদলের প্রস্তাব জামায়াত এমপিরতালিকা দিলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস সংস্কৃতি মন্ত্রীর

শেষ পাতা

বিশেষ প্রতিনিধিদেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও সরকারি প্রাইমারি স্কুলে স্থাপন করা ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই

2026-09-08T00:00:00+06:00
2026-09-08T15:09:40+06:00
বৃহস্পতিবার ● ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
শেষ পাতা
‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম বদলের প্রস্তাব জামায়াত এমপিরতালিকা দিলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস সংস্কৃতি মন্ত্রীর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ এএম  আপডেট: ০৮.০৯.২০২৬ ৩:০৯ পিএম (প্রিন্ট সংস্করণ)
বিশেষ প্রতিনিধি 
দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও সরকারি প্রাইমারি স্কুলে স্থাপন করা ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের পার্লামেন্টে মেম্বার মারদিয়া মমতাজ। জবাবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত তালিকা দেয়া হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার পার্লামেন্ট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নে মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট রেজিমে’ একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুজিব কর্নার স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের পর এসব কর্নারের নোটিশ বা শিরোনাম সরিয়ে নেয়া হলেও পাঠাগারগুলো আগের অবস্থায় রয়েছে। এই লাইব্রেরিগুলো যদি সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নারে রূপান্তরিত করা হয়, তাহলে দেশের মানুষের জন্য কল্যাণের কাজ হতে পারে। এ বিষয়ে সরকারের কোনো প্ল্যান আছে কি না তা জানতে চান ওই এমপি।

জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় বলেন, ‘জাতীয় পর্যায় থেকে গ্রাম পর্যন্ত দেশে অনেক পাবলিক লাইব্রেরি রয়েছে। এমপি যেসব লাইব্রেরির কথা বলেছেন, সেগুলো সরকারের আওতায় নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। উনি একটি তালিকা করে আমাদের দিতে পারেন। তালিকা পাওয়ার পর আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ডিজিটাল সাংস্কৃতিক ভান্ডার প্রতিষ্ঠা হচ্ছে
এমপি ফাহমিদা হকের প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, সরকার একটি জাতীয় ডিজিটাল সাংস্কৃতিক ভান্ডার প্রতিষ্ঠার প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। সরকার কর্তৃক গেজেটভুক্ত ৫৫৪টি স্থাবর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের তালিকা এরই মধ্যে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের দাফতরিক ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া পাণ্ডুলিপি, লোক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন সংরক্ষণ, সেগুলোকে বিশ্বব্যাপী সহজলভ্য করা এবং ডিজিটাল আর্কাইভে রূপান্তরের জন্য আর্কাইভ ও গ্রন্থাগার বিভাগ ২৩৯ কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। প্রজেক্টটি বর্তমানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ওই প্রজেক্টটি অনুমোদন করা হলে দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ, পাণ্ডুলিপি, লোক ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন সংরক্ষণ এবং বিশ্ব জুড়ে মানুষের কাছে সেগুলোকে সহজলভ্য করার জন্য দ্রুত একটি জাতীয় ডিজিটাল সাংস্কৃতিক ভান্ডার বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
শেষ পাতা- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত