জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য নিয়ে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রান্তিক জনগণ আজও তার সুফল পাচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষা

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (এমপি) বলেন, বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা

2026-09-22T19:10:34+06:00
2026-09-22T19:10:34+06:00
বুধবার ● ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
শিক্ষা
ডাক্তার জাহিদ হোসেন এমপি
জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য নিয়ে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রান্তিক জনগণ আজও তার সুফল পাচ্ছে
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১০ পিএম  
ছবি-যাযাদি
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (এমপি) বলেন, "বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO)-দের ভূমিকা অপরিসীম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য নিয়ে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (MATS) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রান্তিক জনগণ আজও তার সুফল পাচ্ছে।"

আজ ২২শে সেপ্টেম্বর(২০২৬)মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডি-ম্যাব)-এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে "প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO)-দের স্বাস্থ্যখাতে ভূমিকা, প্রত্যাশা ও করণীয়" শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য স্বাস্থ্য খাতে SACMO-দের নিয়োগ, পদোন্নতি ও ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নসহ যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে আশ্বাস দেন। 

তিনি এ সময় পলাতক বিরোধীদল আওয়ামী লীগ এবং সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ এর তীব্র সমালোচনা করেন। তারা বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাদের রাজনৈতিক অধিকার হারাতে পারেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক মো: শহীদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মো: হামিদুল ইসলাম ভূঁইয়া। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডভোকেট আব্দুস সালাম এমপি , স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এমপি,অধ্যাপক ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী (সাবেক পরিচালক, এমআইএস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ডি-ম্যাবের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, বিডিএমএ-এর প্রতিনিধি এবং সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের নেতারা বক্তব্য রাখেন। 

বক্তারা ১৯৭৬-১৯৭৯ সালে বীর উত্তম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক দেশের গ্রামীণ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রজেক্ট পেপারমার ভিত্তিতে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (MATS) ও DMF কোর্সের ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন। তৃণমূল স্বাস্থ্য সেবায় এই দক্ষ মধ্যম স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তাদের ন্যায্য অধিকার ও যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নের জোর তাগিদ দেওয়া হয়।তারা নিয়োগ, পদসৃজন, ১০ম গ্রেড ও গেজেটেড পদমর্যাদা, সম্মানসূচক প্রিফিক্স প্রদান, নিজস্ব বোর্ড গঠন ও ইন্টার্নশিপ ভাতার জোর দাবি জানান। 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG-3) অর্জন এবং উন্নত বিশ্বের আদলে ব্যাচেলর চিকিৎসক, ডিপ্লোমা চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্ট মডেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৭ দফা যৌক্তিক দাবি পেশ করেছে ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডি-ম্যাব)। সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের মহাপরিকল্পনায় ৩৫ হাজার বেকার উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO) বা ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দ্রুত নিয়োগ এবং ৩,২০০টি শূন্য পদে অবিলম্বে পদায়ন।

২. SACMO পদটিকে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণসহ গেজেটেড পদমর্যাদা প্রদান ও পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার প্ল্যান নিশ্চিত করা।

৩. ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪-এর স্ট্যান্ডার্ড সেটআপ অনুযায়ী হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে শূন্য পদ পূরণ ও নতুন পদ সৃজন।

৪. স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন ও 'মেডিকেল ইনস্টিটিউট' নামকরণ অনুমোদন।

৫. DMF সম্পন্নকারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং MATS শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপকালীন যুগোপযোগী ভাতার ব্যবস্থা।

৬. BM&DC অ্যাক্ট ২০১০ সংশোধন করে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের স্বীকৃতি ও সম্মানজনক প্রিফিক্স প্রদান।

৭. প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের অধিকার ও পরিচয় রক্ষায় তা সংজ্ঞায়িত করা। 

সভা শেষে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে মো: শহীদুল্লাহ সিদ্দিকীকে সভাপতি এবং মো: হামিদুল ইসলাম ভূঁইয়াকে মহাসচিব করে ৫১ সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়।
শিক্ষা- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত