প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৩ পিএম
ছবি-যাযাদি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ৯৪টি পূজা মÐপে দেবীপক্ষের আয়োজন শুরু হয়েছে। ভোরে গঙ্গা পূজা ও তর্পণের মাধ্যমে মহালয়ার আচার পালিত হয়।স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ভক্তরা নদী ও পুকুরে তর্পণ করেন।এরপর মন্দিরে মহালয়ার চণ্ডীপাঠ অনুষ্ঠিত হয়।
ঘাটাইল শহর ও গ্রামীণ এলাকায় পূজা মণ্ডপ সাজাতে ব্যস্ত কমিটি সদস্যরা।ঢাক-ঢোল, আলোকসজ্জা ও প্রতিমা নির্মাণে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, সব মণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলও নিরাপত্তায় সহযোগিতা করবে।উপজেলা প্রশাসন পূজা মণ্ডপগুলোতে মনিটরিং টিম গঠন করেছে।প্রতিটি মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভক্তরা জানান, মহালয়ার দিন থেকেই দুর্গোৎসবের আনন্দ শুরু হয়।ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত প্রতিদিন বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হবে।সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও অষ্টমীতে কুমারী পূজা হবে।নবমীতে যজ্ঞ ও মহানবমী আরতি অনুষ্ঠিত হবে।দশমীতে সিঁদুর খেলা শেষে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে।উপজেলা জুড়ে উৎসবকে ঘিরে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে। ছোট বড় আবাল বৃদ্ধ বনিতা তাদের এই বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পালন করার জন্য কেনা কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। শিউলি ফুলের গন্ধ, ঢাকের আওয়াজ ও প্যান্ডেলের সাজসজ্জা উৎসবকে প্রাণবন্ত করেছে।ঘাটাইলের ৯৪টি পূজা মণ্ডপে এবার শারদীয়া দুর্গোৎসব হবে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর—এমন প্রত্যাশা সবার।আপনি চাইলে আমি এই খবরের সঙ্গে একটি সুন্দর বাংলা শিরোনাম সাজিয়ে দিতে পারি অথবা পূজার সাংস্কৃতিক তাৎপর্য নিয়ে আলাদা লেখা তৈরি করতে পারি।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব অরুন জ্যোতী সান্যাল জানান আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষে, উপজেলা পুজা কমিটি দশমী পর্যন্ত যাতে শান্তিপুর্ন ভাবে শারদীয়া দুর্গোৎসব ভক্তরা যাতে নির্বিঘেœ পালন করতে পারে সেজন্য সর্বদাই প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছি।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানা অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি)মোঃ মোকছেদুর রহমান জানান ঘাটাইল থানা প্রশাসন, কয়েকটি স্তরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, সরাসরি পুলিশের উপস্থিতি টহলসহ, সাদা পোশাকে, গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে । ফোকাল কর্মকর্তা সহ,ভিট কর্মকর্তা গণ নিজ নিজ ইউনিয়নের দায়িত্ব পালন করবেন।