শার্শায় ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকায় নির্মাণ হচ্ছে ৫৫০টি উন্নত শৌচাগার

শার্শা প্রতিনিধি

সারাদেশ

যশোরের শার্শা উপজেলায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিন কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ৫০০

2026-10-13T17:10:26+06:00
2026-10-13T17:10:26+06:00
মঙ্গলবার ● ১৩ অক্টোবর ২০২৬
২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:
সারাদেশ
শার্শায় ৩ কোটি ১৬ লাখ টাকায় নির্মাণ হচ্ছে ৫৫০টি উন্নত শৌচাগার
শার্শা প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১০ পিএম  
ছবি: যাযাদি
যশোরের শার্শা উপজেলায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিন কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ে ৫৫০টি উন্নত টুইন-পিট ল্যাট্রিন নির্মাণ করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) উদ্যোগে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে এসব শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ডিহি ইউনিয়নে নির্মাণকাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে প্রতিটি ইউনিয়নে ৫০টি করে ল্যাট্রিন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শামীম ট্রেডার্স।

গত দুই জুন ২০২৬ তারিখে কার্যাদেশ দেওয়ার পরদিন, তিন জুন থেকে নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময়সীমা ৩০ ডিসেম্বর ২০২৭। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে উপকারভোগীদের কাছে স্যানিটেশন সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে শার্শা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের কর্মকর্তা নূর ইসলাম বলেন, গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে সরকার এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ইতোমধ্যে ডিহি ইউনিয়নে ৫০টি ল্যাট্রিন নির্মাণের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

ল্যাট্রিন নির্মাণের সুবিধা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় উপকারভোগী মনোয়ারা ও মালেক। তাদের ভাষ্য, আগে স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার না থাকায় দৈনন্দিন জীবনে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। উন্নত ল্যাট্রিন ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সহজ হবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

উপকারভোগী মালেক বলেন, আগে আমাদের ভালো টয়লেট ছিল না। এখন সরকার থেকে সুন্দর একটি টয়লেট দেওয়া হচ্ছে। কাজের মানও খুব ভালো মনে হচ্ছে। এতে আমাদের অনেক উপকার হবে। এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, প্রকল্পের সুফল দীর্ঘস্থায়ী করতে নির্মাণকাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি জরুরি। বিশেষ করে টুইন-পিট ল্যাট্রিনের সঠিক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে উপকারভোগীদের সচেতন করা গেলে এসব স্থাপনা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শার্শার ১১টি ইউনিয়নে ৫৫০টি ল্যাট্রিন নির্মাণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। পাশাপাশি উপকারভোগী নির্বাচন, নির্মাণকাজের মান ও অগ্রগতি নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। এতে গ্রামীণ স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।
  বিষয়:   শার্শা  যশোর  গ্রামীণ স্যানিটেশন  জনস্বাস্থ্য 


সারাদেশ- এর আরোও খরব 
সম্পাদক ও প্রকাশক : শফিক রেহমান
অফিস:
যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্স
৪৪৬ ই+এফ+জি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, ঢাকা ১২০৮
ইমেইল : [email protected]
বিভাগীয় ফোন:
অনলাইন নিউজ- ০১৩৩৫১০৭৭০১, ০১৫৭২১৭৩৭৭৭
বিজ্ঞাপন বিভাগ- ০১৯১২২৯২৩১৩, ০১৭১১১৭৫৩৩১
সার্কুলেশন বিভাগ- ০১৭১২৩৮০৩২৫, ০১৮৩৪৮০০৮৭৭
© ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত